পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


翠 * ৫৩২ দেখিয়া কহেন কৃষ্ণ ডাকি সাত্যকিরে। পূৰ্ব্বমত হইবেক দেখি হস্তিনারে ॥ "দ্বিতীয় ইন্দ্রের পুর দেখি সুশোভন । বড়ই ধৰ্ম্মাত্মা দেখি হেথ প্রজাগণ ॥ বুঝি এবে ধৃতরাষ্ট্র ধৰ্ম্মে মতি দিল । ; সে কারণে মহোৎসব গীত আরম্ভিল ॥ সাত্যকি বলিল নহে ধৰ্ম্মের কারণ। ;তোমার পরীক্ষা করিতেছে দুৰ্য্যোধন ॥ লোকমুখে শুনি ভক্তাধীন জনাৰ্দ্দন । * পাগুবের বশ তেঁই ভক্তির কারণ ॥ ', ভক্তিতে পাণ্ডব বশ করিয়াছে র্তারে । আমি ভক্তি করি দেখি এবে কিবা করে । . এমত মন্ত্রণা করি যত কুরুগণ । যজ্ঞ মহোৎসব করিয়াছে আরম্ভণ । ; এত শুনি হাসি হালি কহে দামোদর। টু আমার কপট ভক্তি নহে প্রীতিকর ॥ i. বিড়ম্বিলে মোরে সেই নিজে বিড়ম্বিবে। এই দোষে যমঘরে অবিলম্বে যাবে ॥ {এত বলি জগন্নাথ করিয়া প্রস্থান। : নগর মধ্যেতে উত্তরিলেন শ্ৰীমান ॥ কৃষ্ণ আগমন শুনি কৌরবের পতি । আগু বাড়াইয়া গিয়া আনে শীঘ্ৰগতি ॥ চতুরঙ্গ দলে গিয়া বীর দুঃশাসন । আগু বাড়াইয়া শীঘ্ৰ আনে নারায়ণ ॥ । সাত্যকি সহিত কৃষ্ণে আনিল সভাতে । যথাযোগ্য স্থানে সবে দিলেন বসিতে ॥ ভক্তি করি দুর্য্যোধন রত্নসিংহাসনে । সভামধ্যে বসাইল দেব নারায়ণে ॥ যত দ্রব্য আহরণ করে দুৰ্য্যোধন । টু গোবিন্দের অগ্রে ল’য়ে দিল সেইক্ষণ ॥ ལྕི་བས་སྲ་ཟླ།པཱུ་ যত দ্রব্য করে সমপৰ্ণ । #কোন দ্রব্য না নিলেন তার নারায়ণ ॥ }প্রসঙ্গ করিয়া কহিলেন জনাৰ্দ্দন । &আজি কোন’ দ্রব্যে মম নাহি প্রয়োজন ॥ আমি বুহি গিয়া বিদুরের বাসে । লি রাজা মম পূজা করিও বিশেষে ॥ মহামল্লিকের ধ্যান—৬ וו־איו"ic-taa মহাভারত । এত বলি সভা হতে উঠি নারায়ণ। T সাত্যকির হাত ধরি করেন গমন ॥ তবে দুৰ্য্যোধন রাজা উঠি সভা হৈতে । কর্ণ দুঃশাসন মাতুলেরে নিল সাথে ॥ অন্দরে আমত্য সহ বসি দুর্য্যোধন। যুক্তি করে কি উপায় করিব এখন ॥ পাণ্ডবের পক্ষে দেখি দেব নারায়ণ পাণ্ডবের গতি কৃষ্ণ পাণ্ডব-জীবন ॥ কৃপা করি বান্ধ এবে রাখ শ্ৰীনিবাস । দন্ত উপাড়িলে যেন ভুজঙ্গ নিরাশ ॥ -! কৃষ্ণ বিনা মরিবেক পাণ্ডু-তাঙ্গজনু। জলহীন মৎস্য যেন নাহি ধরে তনু ॥ দুঃশাসন বলে যুক্তি নিল মোর মন । গোবিন্দেরে রাখ রাজা করিয়া বন্ধন ॥ বলিকে বান্ধিয়া যথা ইন্দ্র রাজ্য করে । এই কৰ্ম্মে তব হিত দেখি যে অন্তরে ॥ শকুনি বলিল যুক্তি নিল মোর মন । এই কৰ্ম্মে সব স্থখ দেখি যে রাজন ॥ পূৰ্ব্বাপর শাস্ত্রমত আছে হেন নীত । বলে ছলে শক্রকে না ক্ষমিতে উচিত ॥ তোমার পরম শত্রু পাণ্ডুর নন্দন । তার অনুগত হয় দেব নারায়ণ ॥ তারে বন্দি করা দোষ নাহিক ইহাতে । বন্ধন করিয়া কৃষ্ণে রাখহ ত্বরিতে ॥ কর্ণ বলে ভাল বলে গান্ধারীনন্দন । এই কৰ্ম্মে তব সুখ হইবে রাজন ॥ পাণ্ডবের পক্ষ হবে যত যদুগণ । গোবিন্দ বিচ্ছেদে সবে কব্লিবেক রণ ॥ যাহা হোক তারা তব কি করিতে পারে । নিভৃতে বান্ধিয়া তুমি রাখ দামোদরে ॥ এতেক বলিল যদি রাধার নন্দন । কপট মন্ত্রণা করি আনন্দিত মন ॥ যত দৃঢ়ঘাতিগণ দ্বারেতে আছিল । নিভৃতে ডাকিয়া আনি সবারে কহিল ৷ কল্য কৃষ্ণ আসিবেন মোর অন্তঃপুরে । দ্বারক যাবেন তিনি কহিয়া আমারে ॥