পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্ৰোণপৰ্ব্ব ] । স্মেরমুখীং বরদাস্কুশপাশাভীতিকরাং প্রভজেন্তু বমেশ্বরং ॥ (సిక assass= sরল কেবল আমি তব ভুজাশিত । •রণ পালন কর হয়ে কৃপান্বিত ॥ সেনাপতি বিনা যুদ্ধ নাহি হয় জানি । রুপ করি সেনাপতি হইবা আপনি ॥ নুঠিরে ধরি দেহ এই নিবেদন । তোমা ভিন্ন তারে ধরে নাহি হেন জন ॥ দুৰ্য্যোধনে কাতর দেখিয়া গুরু দ্ৰোণ । আশ্বাপিয়া কহিলেন শুন দুৰ্য্যোধন ॥ সেনাপতি হৈব আমি করিব সমর । কিন্তু এক কথা কহি তোমার গোচর ॥ আমি সেনাপতি যদি হইব সমরে ।. তবে বাণ ধরিবে না কর্ণ ধনুৰ্দ্ধরে ॥ আমার নিয়ম এই শুন নরবর। কছিলাম সত্য এই তোমার গোচর ॥ যুধিষ্ঠিরে তবে আমি ধরিব নিশ্চয় । কিন্তু যদি নাহি থাকে বীর ধনঞ্জয় ॥ এত শুনি বলে তবে রাজা দুৰ্য্যোধন । তোমার নিকটে কর্ণ না করিবে রণ ॥ দ্রেীণ বলে শুন রাজা আমার বচন । চক্রবাহ করিয়া করিব মহারণ ॥ দুৰ্য্যোধন শুনিয়া হইল হৃষ্টমতি । অভিষেক করি দ্রোণে করে সেনাপতি ॥ জয় জয় শবদ হয় কটকে ঘোষণা । মহাশব্দে নানাবিধ বাজায় বাজনা ॥ শত শত জয়ঢাক বাজে জয়ঢোল । মহাশব্দ হৈল যেন সমুদ্র-কল্লোল ॥ শত শত দামা বাজে, বাজে জগবাস্প । কোটী কোটী সানি বাজে কোটী কোটীডল্ফ স্বলঙ্গের রোলে কম্প হয় বসুমতী । থমক টমক বাদ্য বাজে নানাজাতি ॥ মইনাদে গর্জন করয়ে সেনাগণ । শনিন্দিত হইল দেখিয়া দুৰ্য্যোধন ॥ প্রোণপৰ্ব্ব স্থধারস অপূর্ব আখ্যান । কাশীরাম দাস কহে শুনে পুণ্যবান ॥ শ্ৰীকৃষ্ণের সহিত পাণ্ডবদিগের মন্ত্রণ । হেথায় ধর্মের পুত্র সহ ভ্রাতৃগণ । কৃষ্ণ সনে বসি সবে আনন্দিত মন ॥ দ্রুপদ বিরাট আর সাত্যকি সংহতি । ধৃষ্টদ্যুম্ন চেকিতান যুযুৎস্থ নৃপতি ॥ অভিমনু্য ঘটোৎকচ পঞ্চপুত্র আর । সভায় বসিয়া সবে করয়ে বিচার ॥ হেনকালে দূত গিয়া কহিল সত্বর । দ্রোণ সেনাপতি হৈল শুন নরবর ॥ তোমারে ধরিয়া দিতে কৌরব বলিল । ধরিব বলিয়া দ্ৰোণ প্রতিজ্ঞা করিল ॥ ইহার বিধান আজ্ঞা কর নৃপবর । নিবেদন করি এই তোমার গোচর ॥ এত শুনি যুধিষ্ঠির আতঙ্ক পাইয়া । করিলেন জিজ্ঞাসা নারায়ণে চাহিয়া ন প্রতিজ্ঞা করিল দ্ৰোণ ধরিতে আমারে । কিমতে পাইব রক্ষা কহ কৃষ্ণ মোরে ॥ ভুবনে দুর্জয় দ্রোণ বীর মহারথী । প্রতিজ্ঞ খণ্ডায় তার কেব৷ হেন কৃতী ॥ হৃদয় কম্পিত মম খণ্ডে নাহি ভয় । কি করি উপায়, কহ কৃষ্ণ মহাশয় ॥ অশেষ সঙ্কটে পার করিয়াছ তুমি । কার মনে ছিল যে আসিব দেশে আমি ॥ সভায় দৌপদী-লজ্জ কর নিবারণ । তোমা বিনা পাণ্ডবের গতি কোন জন ॥ হাসিয়া বলেন কৃষ্ণ শুনহ বচন । কি শক্তি তোমারে ধরি লইবেক দ্ৰোণ ॥ শত দ্রোণ হ’য়ে যদি আইসে সমরে । তবু কি তাহার শক্তি ধরিবে তোমারে ॥ ব্রহ্মা যদি আপনি আসিয়া করে রণ । তবু তব পরাজয় না হবে কখন ॥ ভীম বলে মঙ্গরাজ কি ভয় তোমার । তোমাকে ধরিবে হেন শক্তি আছে কণর ॥ সহদেব নকুল যতেক যোদ্ধাগণ । তোমারে রাখিবে সবে করিয়া যতন ॥