পাতা:গল্পাঞ্জলি.djvu/১২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Y S 8 গল্পাঞ্জলি ভট্টাচার্ষ্য ৰাঙ্গস্বরে বলিলেন—“হু –ভারি ভদ্রস্থত আছে কিনা ! এ দিকে ত রাত পোয়ালে কি খাবি তার ঠিক নেই। পাঁচ পাঁচশো টাকা দিতে চাচ্ছি—যদিন বাচতিস পায়ের উপর পা দিয়ে বসে খেতিস। তোর কপালে নেই মুখ, লোকে কি করবে বল ?”—বলিয়া ভট্টাচাৰ্য্য উঠানের চারিদিকে আবার পায়চারি করিতে লাগিলেন। যেখানে রাইচরণের পূৰ্ব্বপুরুষগণের পাকাবাড়ী ভগ্নস্তপ হইয়া পড়িয়া ছিল, সেখানে দাড়াইয়া ভট্টাচার্ষা মহাশয় যেন আপন মনেই বলিতে লাগিলেন—“এই যে সব ইট পড়ে রয়েছে, ছোট ছোট পাতলা পাতলা ইট—এ সব সেকেলে ইট ভারি পোক্ত হয় । এমন ইট অার একালে তৈরি হয় না । একালের ইট হাত থেকে মাটীতে পড়লে ভেঙ্গে যায় । সে কালের এ সব ইট এখনও এত মজবুদ যে শাবল মারলেও ভাঙ্গে না। ইট যা পড়ে আছে দেখছি— এরই ত দাম পাঁচশো টাকা হবে। এ ইট দিয়ে মন্দির তৈরি করলে, সে একবারে চিরস্থায়ী। (উচ্চৈঃস্বরে) রাইচরণ—আমি দরই বাড়িয়ে যাচ্ছি—দরই বাড়িয়ে যাচ্ছি—দেখে তুই বোধ হয় ঠাউরেছিঙ্গ—আমার ভারি গরজ ? আচ্ছা বলি শোন । এই ইটগুলো মৃদ্ধ যদি আমার দিস, তবে হাজার টাকা দেব । বস্—আর এক পয়সা না । কোথ পাৰ আমি এর বেশী ? আদি ছাপোষা মানুষ—হাজার টাকা দিতেই আমার জিভ বেরিয়ে বাবে। যদি হাজার টাকায় হয় ত বল, নইলে বাৰা মহাদেব মাথায় থাকুন--মন্দির প্রতিষ্ঠে করা আমার দ্বারা হল না ।” —ৰলিয়া তিনি তীক্ষ দৃষ্টিতে রাইচরণের পানে চাহিয়া রছিলেন। রাইচরণ কিছুই বলে না ; তখন ভিনি তাহাকে ছাড়িয়া তাতিনীকে ধরিলেন—বলিলেন—“বলি তাতিবউ,রাইচরণ না হয় বুড়ো হয়েছে—ভীমরতি ধরেছে। তোমার ত এখনও যুবত্ব বয়েস। তুমি কি বুঝতে পারস্তু মা-এ ভিটে, যা অন্য কেউ একশো টাকা দিয়েও কিনবে না—তার জষ্টে