পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৪১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আইনের গল্প 80亀 ভাক্তার এ জাতীয় প্রশেনর উত্তর দিতে অক্ষম হন। এ মোকদ্দমাতেও ডাক্তার উল্লিখিত কারণে বলিতে পারিলেন না যে, এই কাটা suicidal WQRII homicidal ! আদালত আসামীকে জিজ্ঞাসা করিলেন,-“তুমি কিছু বলিতে চাও ?” আসামী। আমি কিছুই বলিব না। , གུ་ཝ། ཝཝ་། “གལ ༢ཙ་ན་ “ ཉལ་ཐ་ཤ ཅང་ཀ་། གཅ། འཛ་ཝ། ཤ་སྨཤང་། ཨ་ཐ་། ཀr ཐ་ཕ་ us সেই ঘরে এই ব্যক্তি এবং হত্য রমণী ছাড়া, কোনও তৃতীয় ব্যক্তি ছিল না যে, বলিব হয়ত সেই তৃতীয় ব্যক্তিই হত্যাকত্তা। স্মীলোকটার, নিজের গলা নিজে কাটিবার কোনও যক্তিযুক্ত কারণ নাই। যদি এমন হইত যে, এ ব্যক্তি অনেকদিন হইতে উহার নিকট যাতায়াত করে, দ’জনের মধ্যে প্রেম হইয়াছে, তাহা হইলে হয়ত মনে করাও যাইত যে, কোনও ঝগড়া কলহের কারণ, অভিমানে রমণী আত্মহত্যা করিয়াছে। কিন্তু তাহা নহে। সকলেই বলিতেছে, সে বাড়ীতে আসামীকে তাহারা পাবে কোনও দিন দেখে নাই। তাহা হইলে, আসামীই রমণীকে হত্যা কবিয়াছে ইহা স্থির। কেন করিল ? চরির অভিপ্রায়ে হইতে পারে। হয়ত পাবে ভাবিয়াছিল, গলাটি কাটিয়া দিলেই রমণী চিরতরে নিস্তবধ হইয়া যাইবে—তখন সে অভাগিনীর টাকা-কড়ি গহনা-পত্র লইয়া বাহির হইয়া, কপাটটি ভেজাইয়া, 蠶 কিন্তু অভাগিনী মাতু্যযন্ত্রণায় গোঁ গোঁ শব্দ করাতেই আসামীর উদ্দেশ্য হইল । ম্যাজিস্ট্রেট তখন আসামীকে দায়রা সোপদ করিলেন। হাইকোটের আগামী সেসনে, তাহার বিচার হইবে। আসামী প্রেসিডেন্সি জেলে হাজতবন্ধ রহিল। ইতিমধ্যে দেশে যুবকের আত্মীয়-স্বজন খবর পাইয়া কলিকাতায় আসিয়া পড়িয়াছিলেন। তাঁহারা বলিলেন, “অসম্ভব । ও ষে অথ’লোভে নাবী-হত্যা করিবে, ইহা একেবারে অসম্ভব। সে প্রকৃতির ছেলে ত ও নয়।” তাঁহারা, সেসনে আসামীর পক্ষাবলম্বন করিবাব জন্য বড় বড় উকীল কোসাল নিযুক্ত করিলেন। ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসের কাগজ-পত্রের নকল পড়িযা, এবং আসামীর আত্মীয়-স্বজনের মখে আসামীর সচ্চরিত্রতা সম্বন্ধে তাঁহাদের দৃঢ় বিশ্বাসের কথা শুনিয়া, আসামীর উকীলেরা অত্যন্ত বিস্মিত হইলেন। জজের অনুমতি লইয়া, প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়া তাহারা আসামীর সহিত সাক্ষাৎ করিলেন। আসামীকে বলিলেন, “আসল ঘটনা সমস্ত আমাদের খালিয়া বল।” আসামী । বলিব না। উকীল। না বলিলে আমরা তোমাব পক্ষাবলম্বন করিব কি করিয়া ? ব্যাপার যেরপ দেখিতেছি, ইহাতে তোমার যে ফাঁসির হুকুম হইতে পারে। আসামী। হউক। ফাঁসি যাইব । আমি কিছুই বলিব না। উকীলেরা সেদিন হতাশ হইয়া ফিরিয়া আসিলেন। আসামীর আত্মীয়-স্বজনের মিনতি এড়াইতে না পারিয়া, আবার তাঁহারা গিয়া আসামীর, সহিত সাক্ষাৎ করিলেন । এইরুপ দই তিন বার সাক্ষাতে অনেক বুঝানো সঝোনোর পর, আসামী অবশেষে আসল ঘটনাটি নিম্নলিখিত মত প্রকাশ করিল। “কলিকাতা হইতে দরে, অমুক গ্রামে আমার বাস। সেখানে আমার একখানি মণিহারী দোকান আছে, উহাই আমার উপজীবিকা। দই তিন মাস অন্তর আমি মাল খরিদ করিতে কলকাতায় আসি। এবারও সেইরাপ আসিয়াছিলাম। “দশ বৎসর পর্বের একটি ঘটনা বলি শািনন। আমার এক কনিষ্ঠা ভগিনী ছিল, অলপ বয়সে সে বিধবা হইয়া যায়। তার রপে ছিল, সেই রাপের জন্যই তাহার সব্বনাশ