পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8२ গোবিন্দ দাসের করচা গুই চারি কথা কহি ৰোগিমহাজন। চাম্বনি শিঙড়ি ৫ বলি হাসিলা তখন চাম্বনি শিঙড়ি বলি অতি শুদ্ধমনে । হাসিয়া প্রণাম করে প্রভুর চরণে ॥ প্রতি নমস্কার করি মোর গোরারায় । আনন্দে ভাসিয়া তবে কৃষ্ণ ওণ গায় ॥ প্রণাম করিতে দেখি সেই যেগিবরে । সকল সন্ন্যাসী তবে প্রভুপদ ধরে ॥ সেই খানে ইষ্ট গোষ্ঠী করি গোরারায়। তথা হতে সাত দিন পরে বাহিরায় ॥ তত্ত্বকুণ্ডী নামে তীর্থ আছে সেই স্থানে। স্বান করিবারে প্রভু চলিলা সেখানে ॥ তারপরে তাম্রপণী নদী দেখা দিল । স্বান করিবারে প্রভু সেখানে চলিল ॥ মাঘী পূর্ণিমার দিনে তাম্রপর্ণাধারে। বহুত অতিথি আসে স্নান করিবারে ॥ সেই স্থানে একপক্ষ অপেক্ষা করিয়া । মাঘী পূর্ণিমার দিন স্নান করি গিয়া । তাম্রপণী পার হয়ে সমুদ্রের ধারে । প্রভু কন্যাকুমারী চলিল দেখিবারে। • “চাম্বনি শিঙড়ি" শব্দের অর্থ বুঝিতে পরিলাম না । তামিল ও তেলেগুর অধ্যাপকদিগকে জিজ্ঞাসা করিয়ছিলাম। উহার বলিতে পারলেন ন, সম্ভবতঃ পুথিলেখক কর্তৃক শব্দটির পাঠ বিকৃতি ঘটয়াছে। “ শিঙরি ” শব্দ “ শৃঙ্গার ” শব্দের রূপান্তর বা বিকৃতি কিনা বলা যায় না। দক্ষিণাত্যে “ শিঙ্গারী মঠ ” আছে, এই শব্দের সঙ্গে তাহার কোন সম্বন্ধ আছে কিনা, তৎসম্বন্ধে অনুমান-মুলক কোন সিদ্ধান্ত করা উচিত নহে। ইহার পরের এক পৃষ্ঠায় "निछांब्रिज्ञ वर#"ङ्ग छेरल्लथ जांदइ । পৰ্ব্বত কানন দেশ নাহি সেই ঠাই। কেবল সিন্ধুর শব্দ শুনিবারে পাই ॥ বড় বড় তরঙ্গ আসিয়া সেই খানে। . ঈশ্বরের গুনগান করিছে সজ্ঞানে ॥ সে ভাব দেখিলে চিত্ত হয় আনন্দিত । ভাবের উদয়ে দেহ হৈল পুলকিত ॥ পৰ্ব্বত সমান বালি হয়ে গুপাকার। ঈশ্বরের গুণ যেন করিছে বিস্তার ॥ হু হু শব্দে সমুদ্র ডিেকছে নিরস্তর। কি কব অধিক লেখা সকলি সুন্দর ॥ দেখিবার কিছু নাই তধাপি শোভন। সেখানে সৌন্দৰ্য্য দেখে যার শুদ্ধ মন ॥ গোবিন্দ বলিয়া প্ৰভু মোরে ডাক দিয়া । স্নান করিবারে বলে ঈষৎ হাসিয়া বেগে আসিতেছে ঢেউ পৰ্ব্বত সমান। ভক্তিভরে সেই খানে করিলাম স্নান ॥ স্নান করি প্রভু মোর কান্দে হরি বলি। হৃদয়ের প্রেম যেন পড়িল উথলি ॥ লোমাঞ্চিত কলেবর কপাল ঘামিল । সেই শীর্ণ দেহ তার পুলকে পুরিল ॥ স্নান করি গোরারায় মনে মনে ভাবে। আমারে ডাকিয়া বলে কোন দিকে যাবে ॥ কহিলাম যেই দিকে প্রভুর গমন। সেই দিকে যাবে দাস করিতে সেবন ॥ স্নান করি বড় এক সন্ন্যাসীর দল। ফিরিয়া চলিল তারা সাতাল পৰ্ব্বত ॥ তাহাদের সঙ্গে মিশি চলিলা নিমাই। ছায়ার সমান আমি পেছু পেছু যাই ॥ পঞ্চদশ ক্রোশ গিয়া মিলিল সাতল সেই খানে স্থিতি করে সন্ন্যাসীর দল ॥ এক বৃক্ষতলে বসে চৈতন্ত গোঁসাই। কি ভিক্ষণ করিব কোথাভাবিয়া না পাই