দুরাচার মৈষাসুর নিশ্বাস বাতাসে।
পর্ব্বত সহস্র শত উড়ায় আকাশে॥
অগ্নিসম ক্রোধ হ’য়া আসে মৈষাসুর
দেখিয়া চণ্ডিকা ক্রোধ করিলা প্রচুর॥
পাশ অস্ত্র ছাড়ি দেবী করিলা বন্ধন।
রণস্থলে ছাড়িলেক মহিষ-বরণ॥
দুরাচার মৈষাসুর করে নানা মায়া।
স্বরূপ ত্যজিয়া শীঘ্র ধরে সিংহকায়া॥
পুনর্ব্বার হ’ল দুষ্ট মনুষ্য শরীর।
অস্ত্রাঘাতে দেবী তাকে করেন অস্থির॥
খড়্গ চর্ম্ম ক্ষেপে দেবী করিতে সংহার।
পুনর্ব্বার ধরিলেক হস্তীর আকার॥
শুণ্ড বিস্তারিয়া সিংহ করে আকর্ষণ।
ঘোরতর শব্দে সিংহ করয়ে গর্জ্জন॥
খড়্গ চর্ম্মে নিবারণ করিলা পার্ব্বতী।
পুন ধরিলেক দুষ্ট মহিষ আকৃতি॥
কাতরেতে ত্রিভূবনবাসী কম্পবান্।
অতি ক্রোধে ভগবতী সুরা করে পান॥
পুনঃ পুনঃ পান করি, অট্ট অট্ট হাসে।
অরুণ বরণ চক্ষু ভূবনে প্রকাশে॥
এই অবকাশে নৃত্য করে মৈষাসুর।
বলবীর্য্য উর্দ্ধগামী হইল প্রচুর॥
দুই শৃঙ্গে উপাড়িয়া পর্ব্বত শিখর।
চণ্ডিকা উপরে হানিলেক দৈত্যবর॥