পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চরনিক না মিটায়ে গিয়াছে শুকায়ে । এই শাস্তি, এই মধুরতা, দিক সৌম্য মানকাস্তি, জীবনের দুঃখদৈন্ত অতৃপ্তির পর করুণকোমল আভা গভীর কুন্দর । বীণা ফেলে দিয়ে এসো, মানস-সুন্দরী দুটি রিক্তহস্ত শুধু আলিঙ্গনে ভরি’ কণ্ঠে জড়াইয়া দাও ।—মুণাল-পরশে রোমাঞ্চ অক্ষুরি’ উঠে মমাস্ত হরষে,— কম্পিত চঞ্চল বক্ষ, চক্ষু ছলছল, মুগ্ধতন্ত মরি যায়, অস্তর কেবল অঙ্গের সীমাস্ত প্রাস্তে উদ্ভাসিয়া উঠে, এখনি ইন্দ্ৰিয়বন্ধ বুঝি টুটে টুটে । অধোঁক অঞ্চল পাতি বসাও যতনে পাশ্বে তব ; স্বমধুর প্রিয় সম্বোধনে ডাকো মোরে, ললো প্রিয়ে, বলে প্রিয়তম ;– কুস্তল-আকুল মুখ বক্ষে রাখি মম ঙ্গদয়ের কানে কানে অতি মুদু ভাষে ংগোপনে ব’লে যাও যাহা মুখে আসে অর্থহারা ভাবে-ভরা ভাষা । অয়ি প্রিয়া, চুম্বন মাগিব যবে, ঈষৎ হাসিয়া বাকায়ো না গ্রীবাখানি, ফিরায়ে না মুখ, উজ্জ্বল রক্তিম বর্ণ স্থধাপূর্ণ স্থখ রেখো ওষ্ঠাধরপুটে, ভক্ত ভৃঙ্গ তরে সম্পূর্ণ চুম্বন এক, হাসি স্তরেস্তরে সরসম্বন্দর ; নব ফুট পুষ্পসম হেলায়ে বঙ্কিম গ্রীবা বৃস্ত নিরুপম মুখখানি তুলে ধোরে ; আনন্দ-আভায় বড় বড় দুটি চক্ষু পল্লব-প্রচ্ছায় bró,