পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(১৩১৪) “বড়দিদি'র লেখকের নাম প্রকাশ পায় । শরৎচন্দ্র তখন ব্ৰহ্মদেশে । ১৯১৪ সালে শরৎসাহিত্যের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের পরিচয়ের একটি বিবরণ পাওয়া যায় কনক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লিখিত অসিতকুমার হালদারের পত্রে ঃ “আমার বেশ মনে আছে ১৯১৭ সালে যখন পূজনীয় কবি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে চারু এবং আমরা কজন গয়া, প্রয়াগ, বরাকর গুহা প্রভৃতি স্থানে বেড়াতে গিয়েছিলাম, তখন চারুর স্বারাই সাহিত্য জগতের দুটি মহৎ শিল্পীর পরিচয় ঘটেছিল। " ট্রেন চলেছে, রবীন্দ্রনাথ বাইরের দিকে তাকিয়ে নীরব হয়ে বসে আছেন । চলস্ত ট্রেনে রবীন্দ্রনাথের সামনে চারু শরৎচন্দ্রের "পত্তিতমশাই’ বইখানি অতিশয় সস্তপণে রেখে দিলে রবীন্দ্রনাথ বইখানি তুলে নিলেন এবং পডা শেষ করে চারুকে বললেন ‘চারু, তুমি আঙ্গ আমাকে নতুন করে বাঙালীর মনের সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়ে দিলে।’ পরমুহূর্তেই তিনি শরৎচন্দ্রের বইখানির আদ্যোপান্ত মনস্তত্ত্ব-ঘটিত বিশ্লেষণ করে গুণগান করলেন ।" রবীন্দ্রভাবনা বৈশাখ ১৩৮৫, t, 1 ১৯৭৭ থেকে ১৯১৬ সালের মধ্যে শরৎচন্দ্রের ‘বড়দিদি" ‘বিরাজ বে, পরিণী ভা’ পণ্ডিতমশাই’ ‘পল্পীসমাজ' 'চন্দ্রনাথ, বৈকুণ্ঠের উইল, “আরক্ষণীয়া ‘শ্রীকান্ত’ ( ১ম পর্ব ) প্রভৃতি প্রকাশিত হয় এবং সাহিত্যক্ষেত্রে তার খ্যাতি স্বপ্রতিষ্ঠিত হয় । ১৯১৬ সালেই তিনি ব্ৰহ্মদেশ থেকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন । রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে শরৎচন্দ্রের প্রত্যক্ষ সংযোগের স্বত্র পাওয়া যায় ২৯ পৌষ ১৩২৪ সালে ( জানুয়ারি ১৯১৮ ) বাজে শিবপুর t St !