পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


పాty জয়তু নেতাজী স্মবণ হয়, তাহাবই কীৰ্ত্তি ও তাহার চবিত এই ঘোর নৈরাশ্বকেও কথঞ্চিৎ লঘু করে, মানসনেত্রে সেই মূৰ্ত্তি দর্শন করিয়া আত্মা çTR arĘ afweg zg–zf>THI Èză, “Sweet Benediction in the eternal Curse (“Thou living form among the Dead " নীরন্ধ্র অন্ধকার ভেদ করিয়৷ সেই আলোকরশ্মি নির্গত হইতেছে, বিরাট হতাশালাব আৰ্ত্ত কোলাঙ্কল ক্ষণে ক্ষণে স্থদ্ধ করিয়া একটি দুব কণ্ঠের মাভৈঃ-রব শোনা যাইতেছে । সেই এক । আর কেহ নাই –কিছু নাই । ৯%বাঙালী আজ সেই সুভাষচন্দ্রকে স্মরণ কর । পুরাণে আছে, এই দেশেরই শতবেণী-সঙ্গমে পবিত্র জাহ্নবীধারাকে দূব গঙ্গোত্তরী হইতে টানিয়া আনিয়া সগররাজবংশের ভস্মরাশিকে সঞ্জীবিত করিয়াছিল—সেই নিৰ্ব্বংশের একমাত্র বংশধর । পুরাণ ইতিহাস নহে, অর্থাৎ সে কোন বিশেষ কালের বিশেষ ঘটনার কাহিনী নয় , তাহার কাহিনী নিত্যকালের, তাই সেহ ঘটনা আজিও ঘটিতেছে। বাঙালীর সগরবংশ ঋষির অভিশাপে ভস্ম হইয়াছে ; আজিকার সাগরসঙ্গমে তাহার যে ভস্মরা শ পড়িয়া আছে তাহাকে সঞ্জীবিত করিতে পারে ও করিবে— তাহারই ঐ একমাত্র জীবিত বংশধর , সারাভারতে সে যে পুণ্যপ্রবাহ বঙ্গাইয়াছে তাহারই স্পর্শে ঐ ভস্মরাশি সপ্তাবিত হইবে-ঋষির অভিশাপ হইতে সে মুক্ত হইবে । সেই মুক্তি হইবে কেমন করিয়া ? সে মুক্তিসাধনের মন্ত্র কি ? একজন বাঙালী-সন্তান জননী-জঠরে বাসকালেই সেট