পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>● ● छग्नाडू ८नङांस्त्री ফৌজ ও গভর্ণমেন্টের নেতাজী হইয়াও সুভাষচন্দ্র গান্ধীজীকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করিয়াছিলেন, অতএব শেষ পর্য্যন্ত তিনি গান্ধী ংগ্রেসের আনুগত্য করিয়াছিলেন, এইরূপ যুক্তি দ্বীরাস্বভাষচন্দ্রের পৃথক নেতৃত্ব অস্বীকার করার বড় সুবিধা হইয়াছে । গান্ধীজীর প্রতি সুভাষচন্দ্রের শ্রদ্ধা যে কখনও লুপ্ত হয় নাই ইহা সভ্যতা, কিন্তু নেতাজী সুভাষচন্দ্র ৰ্তাহার সেই সমরাভিযানকালে গান্ধীজীর প্রতি যে এমন ভক্তি প্রদর্শন করিয়াছিলেন, তাহার অন্যতর এবং বিশিষ্ট কারণ ছিল । তৎপূৰ্ব্বে গান্ধীকংগ্রেস ‘কুইট ইণ্ডিয়া উচ্চারণ করিয়া ব্রিটিশ গভর্ণমেণ্টের বিরুদ্ধে সম্মুখ-যুদ্ধ ঘোষণা করিয়াঙ্গে—নেতাগণ কারারুদ্ধ হইয়াছেন এবং ভারতে একটা বিপ্লবের ঝড় বহিয়া গিয়াছে ; অতএব এই গান্ধী পূর্বের্বর গাঙ্গী নহেন, স্বভাষচন্দ্রের চক্ষে তিনিও তখন বিদ্রোহী ও যুদ্ধার্থী—তাই গান্ধীজীর যুদ্ধঘোষণার মৰ্ম্ম এবং কংগ্রেসেব প্রকৃত অভিপ্রায় পুরাপুরি না জানিয়াই তিনি, এতদিনে তাহার নীতিই জয়ী হইয়াছে এই বিশ্বাসে, গান্ধীজী ও র্তাহার কংগ্রেসকে অস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করিয়াছিলেন । পরে কারামুক্ত হইয়া গান্ধীজী সেই বিদ্রোহ সম্বন্ধে তাহার যে মনোভাব প্রকাশ করিয়াছেন, তাহা সুভাষচন্দ্র যে জানিতে পারেন নাই, ইহাই তাহার সৌভাগ্য ; সেই “কুইট ইণ্ডিয়া’র যুদ্ধঘোষপ। রব আজ কোন মুরে নামিয়া আসিয়াছে ! সুভাষ-চরিত্রের আর একটি বড় লক্ষণ অনেকেই লক্ষ্য করিয়। থাকিবেন, কিন্তু হয় ত তেমন মনোযোগ আকর্ষণ করে নাই ।