পাতা:জীবনীকোষ-ভারতীয় ঐতিহাসিক-প্রথম খণ্ড.pdf/২১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

Rbd করিয়া, তারপর এই সৰ্ব্বত্যাগী সাধু ফকিরের গৃহে প্রবেশ করিভেন । র্তাহার প্রতি লোকের এমনই অচল। ভক্তি ছিল যে, তাহীর মৃত্যুর পর হইতে তাহার সমাধি ক্ষেত্র তীর্থস্থানে পরিণত হইয়াছে । আবুল ফরার—হালাগু খাঁ কর্তৃক বোগদাদ নগর ধ্বংশ প্রাপ্ত হইলে ইনি দ্বাদশ পুত্র সঙ্গে লইয়া ভারতবর্ষে আগমন করেন । র্তাহারা স্বর্ণপ্রস্থ ভারত ভূমিতে উপনীত হইয়া, ভাগ্যলক্ষ্মীর অন্বেষণ করিতে আরম্ভ করেন এবং সমসাময়িক সম্রাট বলবনের প্রসন্ন দৃষ্টি লাভ করিতে সমর্থ হইয়া, বিশিষ্ট পদ প্রাপ্ত হন । তদবধি তাহারা ভারতবর্ষে সাতিশয় প্রতিপত্তিশালী হইয়া উঠেন এবং বংশ বৃদ্ধি হওয়াতে নানাস্থানে ছড়াইয় পড়েন । ইহঁদের এক শাখা বিহারের অন্তর্গত বাঢ় মিক স্থানে বাসস্থান নির্দেশ করিয়াছিলেন । ইহঁাদের বংশধরের বাঢ়ের সৈয়দ বংশ নামে প্রখ্যাত। এই সৈয়দ ংশের গৌরব ও প্রতিপত্তি বহুকাল অস্তৰ্হিত হইয়াছে । এই বংশের নামও সাধারণের অপরিচিত হইয়া পরিয়াছে। কিন্তু এক সময়ে বাঢ়ের সৈয়দ বংশীয়দের নাম প্রবাদ বাক্যের দ্যায় ভারতবর্ষের সৰ্ব্বত্র উচ্চারিত হইত। গুণমুগ্ধ জনসাধারণ র্তাহীদের রণকুশলতা সাহসিকতা এবং কৰ্ম্মপটুতা উপমা স্বরূপ ভারতীয়-ঐতিহাসিক ञांeण भब्रांजैौ ব্যবহার করিত। সৈয়দগণ আপনাদিগকে ভারতের অধিবাসী বলিয়া মনে করিতেন এবং ভারতীয় মুসলমান সমাজের মুখ ও দুঃখের সহিত অচ্ছেদ্য বদ্ধনে আবদ্ধ হইয়া পরিয়াছিলেন । আবুল ফৈজী—সম্রাট আকবরের একজন প্রবীন মন্ত্রী । তিনি একজন উচ্চ শ্রেণীর ফণশী কবি বলিয়া খ্যাত ছিলেন । সম্রাট র্তাহাকে অত্যধিক ভালবাসিতেন । ১৫৯৫ খ্ৰীঃ অব্দে তিনি পরলোক গমন করেন। মৃত্যুর অব্যবহিত পূৰ্ব্বে সম্রাট তাহার শয্যা পার্শ্বে উপস্থিত ছিলেন। আবুল ফজল দেখ। আবুল ময়ালী শাহ – সম্রাট আকবরের অধীনস্থ একজন সামন্ত রাজা । তিনি সম্রাটের বিরুদ্ধে উত্থিত হইয়া ভারতবর্ষ পরিত্যাগপূর্বক কাবুলে আশ্রয় লইতে বাধ্য হইয়াছিলেন । কাবুলে তখন আকবরের ভ্রাতা মিজ মোহাম্মদ হাকিম শাসনকৰ্ত্ত ছিলেন। তিনি স্বীয় ভগিনী মেহের-উননিসার সহিত র্তাহার বিবাহ দিয়া, র্তীহাকে রাজ্যের প্রধান কৰ্ম্মচারীর পদে নিযুক্ত করেন । মির্জ। মোহাম্মদ তরুণ বয়স্ক বলিয়া তাহার মতেই অনেক সময় রাজকাৰ্য্য পরিচালনা করিতেন । কিন্তু তাহার দৃষ্ট সিংহাসনের দিকে ছিল । তিনি মির্জা মোহাম্মদের অভিভাবকত্বের ভান করিয়া, তাহাকেও অপসারিত