পাতা:নেতাজীর জীবনী ও বাণী - নৃপেন্দ্রনাথ সিংহ.pdf/২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

সুভাষচন্দ্রের জীবনী ও বাণী

১৩

শ্রমিক ও কৃষকদিগের অবস্থার উন্নতি করা এই দলের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।

 করপোরেশনের প্রধান কর্ম্মকর্ত্তা—১৯২৫ খৃষ্টাব্দে স্বরাজ্য দল হইতে কলিকাতা করপোরেশনে অধিকাংশ সভ্য নির্ব্বাচিত হন। দেশবন্ধু মেয়র (সভাপতি), সুভাষচন্দ্র প্রধান কর্ম্মকর্ত্তা হন। প্রধান কর্ম্ম কর্ত্তার বেতন ৩০০০৲ টাকা ছিল। সুভাষচন্দ্র স্বেচ্ছায় ১৫০০৲ টাকা লন এবং এই টাকারও বেশীরভাগ তিনি গরীব ছাত্রদের দান করিতেন। সুভাষচন্দ্রের বয়স তখন ২৭ বৎসর। ইহার পূর্ব্বে করপোরেশনে সরকারি প্রভাব ছিল। এখন থেকে সকল সভ্য খদ্দর পরে আসতে লাগলেন, কলিকাতায় ভারতবর্ষের বড় লোকের নামে রাস্তা হ’তে লাগল, বড়লাট বা গভর্ণরদের পরিবর্তে জাতীয় নেতাদের আগমনে নাগরিক সম্বর্ধনা জানান হতে লাগল, বিনা খরচে প্রাথমিক শিক্ষা, ঔষধপথ্য বিলি হতে লাগল।

 ৩ আইনে গ্রেপ্তার—যুবরাজের বয়কটে, স্বরাজ্যদলের সাফল্যে, করপোরেশনের কাজে সুভাষচন্দ্র সকলের প্রিয় হইয়াছিলেন। গভর্ণমেণ্ট সুভাষচন্দ্রের এই জনপ্রিয়তা ও কাজকর্ম্ম ভালচক্ষে দেখিতেন না। বড়লাট ২৪শে অক্টোবর ৩নং রেগুলেশন আইন জারি করিয়া বাংলা সরকারকে বিনা বিচারে আটক করার ক্ষমতা দিলেন। বাংলা সরকার সুভাষচন্দ্রকে ও অন্যান্য অনেককে, ২৫শে অক্টোবর গ্রেপ্তার করিলেন। গ্রেপ্তারের কারণ কিছুই জানান হয় নাই। ষ্টেটসম্যান ও