পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/২৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


1 లిలి হেমন্ত চটিয়া বলিলেন, “যাও আমার বাবার গুণ তুমি কি বুঝবে, আমার বাবার মত বাবা পৃথিবীতে নাই।” তারপর নবীন বাৰু যখন শিবনাথের গৃহে আসিয়া কিছুদিন রহিলেন তখন হেমলতাও DDBBDB BBDB BBDD DBD BDD DDSS BBB D DDBuDY রায় আমার নিকট আদর্শ পুরুষ বলিয়া প্ৰতীয়মান হইলেন। একদিনকার একটী ঘটনা আমার মনে আছে-নবীনচন্দ্র রায় আর শিবনাথ এক টেবিলের দুধারে বসিয়া লেখা পড়া করিতেছেন। শিবনাথ একমনে লিখিয়া চলিয়াছেন-দেখি নবীনচন্দ্র রায় অনেকক্ষণ ধরিয়া তার মুখের দিকে তাকাইয়া কি বলি বলি করিতেছেন- অথচ বলিতেছেন না । আমি দেখিয়া বাবাকে ভাকিয়া বলিলাম, “বাবা তোমাকে উনি বোধ হয় কিছু জিজ্ঞাসা করবেন।” শিবনাথ তখনই ব্যস্ত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন। “আমায় কিছু বলবেন নাকি ?” নবীনচন্দ্ৰ উত্তর করিলেন, “আপনার কাজের ক্ষতি হবে বলে বলিতে সঙ্কুচিত হইতেছিলাম, এই একটী সামান্য কথা !”-শিবনাথ অবাক ! “এই একটী কথা বলবায় জন্য আপনি এতক্ষণ অপেক্ষা করছেন ?” আমরা তার বিনয় সৌজন্য সদ্ব্যবহার দেখিয়া মুগ্ধ হইতাম। বাস্তবিক বলিতে কি এমন আশ্চৰ্য্য চরিত্র আমি এ জীবনে আর দেখি নাই । একদিন শিবনাথ নবীনবাবুকে বলিলেন, “আপনার হেমন্তটা কি মেয়ে ! এমন মেয়ে হয় না”। তিনি গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, “আমার হেম, হেমন্ত দুই-ই সমান, আমার হেমন্তর গুণের “অন্ত” আছে-আপনার হেমের গুণের “অন্ত” নাই।”-শিবনাথ বলিলেন “আপনার নাকি কবিত্ব নেই মশাই!”-এই বলিয়া হো হো করিয়া হাসি। হায়! হায়! তেমন সুখের দিন আয় হবে না।