পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ર প্রবাসী-কাৰ্ত্তিক, ১৩৩৬ লোকেরা খুব পরিশ্রমী ও শিল্পকার্ধ্যে দক্ষ ; অনেক মণিমাণিক্যের খনি ও হাতীতে পূর্ণ বন-জঙ্গল হইতে রাজার অগাধ লাভ হইত। এই সব কারণে দেশের আয় দ্রুত বাড়িয়া চলিয়াছিল। এই আয়ের অতি কম অংশই খরচ হুইত, কারণ প্রজার খুব মিতব্যয়ী, কোন প্রকার বিলালিতা জানিত না ; পান্তাভাত ও তেঁতুলের জল, মূন লঙ্ক মিশাইয়া খাইয়া এবং লেংটা পরিয়া বারো মাস কাটাইভ । এইরূপে বৎসর বৎসর কর্ণাটকে অগাধ ধন फेषुख षोंक्उि ; उाशब्र कठक जश्न बफ़ बफ़ यमिब्र निर्वप्न बाब श्हेउ । बाकी प्लाको भाबि उष्ण cभाडा থাকিত । এইজন্য সোনার দেশ বলিয়া যুগে যুগে কর্ণাটক প্রদেশের খ্যাতি ছিল। যুগে যুগে বিদেশী রাজা ও সেনাসামন্তরা এই দেশের অগাধ ধনরত্ব লুঠিয়া লইয়া ফিরিয়া গিয়াছেন। এবার শিবাজীরও দৃষ্টি কর্ণাটকের উপর পড়িল । এই সময়ে (অর্থাৎ ১৬৭৬ সালে ) বর্তমান মহীশূর রাজ্যের প্রায় সমস্তটাই বিজাপুরের অধীনে অনেকগুলি খণ্ডে বিভক্ত ছিল ; তাহার কতকগুলি ওমরাদের জাগীর, আর কতকগুলি করা-হিন্দুরাজাদের রাজ্য। ইহাকে “কর্ণাটক বালাঘাট” ( অর্থাৎ উচু জমি ) বলা হইত। জার, মহীশূরের পূর্বদিকে বঙ্গ উপসাগর পধ্যস্ত বিস্তৃত ষে সমভূমি, অর্থাৎ মাদ্রাজের আর্কট প্রভৃতি জেলাগুলি, তাহার নাম ছিল কর্ণাটক পাইনঘাট (অর্থাৎ নীচু দেশ )। মহীশূরের পাহাড় বাহিয়া এই সমভূমিতে নামিলে উত্তর হইতে দক্ষিণ মুখে যাইবার পথে ক্রমে ক্রমে তিনটি বিজাপুরী ওমরাদের জাগীর পড়ে ;–প্রথমে বিখ্যাত জিঞ্জি-দুর্গের অধীনস্থ প্রদেশ ( ইহার শাসনকৰ্ত্ত নাসির মহম্মদ খ,স্কৃত উজীর খাওয়াস থার কনিষ্ঠ ভ্রাতা। ; তাহার পর-বলি-কণ্ড-পুরম ( যেখানে বানর রাজ বলী রামচন্দ্রের দর্শন- লাভ করেন ; ইহার শাসনকৰ্ত্তা শের খ। লোদী, আফঘান উজীর বহুলোলের জাভভাই ) ; এবং শেষে কাবেরী পার হইয়া তাঞ্জোর ( শিবাজার বৈমাত্রেয় ভাই বাক্ষাজী, ওরফে একোজী, ১৬৭৫ সালে ইহা দখল করেন ) । আরও দক্ষিণে স্বাধীন মাদুরা-রাজ্য। इंश्! ভিন্ন বেলুর, আরণি প্রভৃতি বিখ্যাত দুর্গগুলি ভিন্ন ভিন্ন কৰ্মচারীর হাতে ছিল । - [२s* छ१, २ग्न ५७ এই সব বিজাপুরী ওমরাদের মধ্যে স্বার্থ লইয়৷ সৰ্ব্বদাই যুদ্ধ ও রাজ্য কাড়াকড়ি চলিড়েছিল ; কেহই উপরিতন স্বলতানকে মানিয়া চলিত না, কারণ স্থলতান তখন নাবালক এবং উজারের হতে পুতুল মাত্র। হিন্দুকরদ রাজারাও তেমনি স্বার্থপর ও একতাহীন। শের থা ফন্দি করিলেন যে তাহার মিত্ৰ—ফরাসী কোম্পানীর পণ্ডিচেরীর কুঠী হইতে গোর এবং সাহেবদের হাতে শিক্ষিত দেশী সিপাহী লইয়া জিঞ্জি অধিকার করিবেন ; তাহার পর ক্রমে রাজ্য ও বল বৃদ্ধি করিয়া মাছরা ও তাঙ্কোরের অগাধ ধনদৌলং লুঠিবেন, এবং শেষে সেই অর্থের জোরে সৈন্ত-সংখ্যা বাড়াইয়৷ গোলকুণ্ডা-রাজ্য জয় করিবেন ! শের খাঁ ১৬৭৬ সালে জিঞ্চি প্রদেশ আক্রমণ করিয়া তাহার অনেক অংশ কাড়িয়া লইলেন । জিঞ্জির অধিকারী নাসির মহম্মদ নিরুপায় হইয়া গোলকুণ্ডার সাহায্য চাহিলেন। এই সময় কুতুব শাহের মন্ত্রী মাদম্বা নামক ব্ৰাহ্মণই ছিলেন সৰ্ব্বেসৰ্ব্বা ; তাহদের বংশ পরম বৈষ্ণব ও ভক্ত হিন্দু। মাদন্নার প্রাণের বাসনা ছিল মুসলমানের (অর্থাৎ বিজাপুরের ) হাত হইতে কর্ণাটক উদ্ধার করিয়া, ১৮৪৮ সালের পূর্বের মত আবার হিন্দুর শাসনে ब्रांशि८दन। १िवांछौब्र भङ छूदनदिछघ्नौ बौद्र e ङऊ হিন্দু ছাড়া আর কাহারও স্বারা এই মহাকাৰ্য্য সফল হওয়া সম্ভব নহে। স্বলতান প্রিয়মন্ত্রীর পরামর্শে রাজি হইলেন। এই শর্তে সন্ধি হইল যে শিবাজী মারাঠাসৈন্তের সাহায্যে বিজাপুরী কর্ণাটক জয় করিয়া কুতুব শাহকে দিবেন, আর নিজে তথাকার রাজকোষে মজুত ও লুঠের টাকা এবং মহীশূরের কতক মহাল লইবেন। এই অভিধানের সমস্ত ব্যয় কুতুব শাহর, এ ছাড়া কামান ও গোল এবং পাচ হাজার সৈন্ত দিয়া তিনি শিবাজীকে সাহায্য করিবেন। শিবাঙ্গীর চতুর দূত প্রস্তাদ নিরাজী মাদন্নার সহিত আলোচনা করিয়৷ এই বন্দোবস্তু পাকা করিলেন । শিবাজী দেখিলেন, কর্ণাটক জয় করা যেরূপ কঠিন কাজ তাহাতে নিজে বাহির না হইলে শুধু সেনাপতি পাঠাইয়া কে:মই ফল হইবে না, আর ইহাতে অন্ততঃ এক বৎসর