পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রবাসী-জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড তাত অাদর । তা যাক, ও সব বক বকিয়েও কিছু ধরণের উচ্চত্ৰণ কাল্পকাৰ্য্য এখানেও । হবে না, কেঁদেও হবে না। আদি গা ভাল বুঝেছি, করেছি, আরও দাৰ্জিত । দেখিলে মনে হয় এক-টুকরা সুন্দর লেস এখন আর কিছু বদলাতে পারব না। বাড়ী গিয়ে বুঝে পাথর করি ফেলা হইয়াছে। নামা রঙের সুতার বুনানিতে সুজে উচুম্বরে ঘরের মালগুলো বেচে ফেল, আর একটা যেন তাহা গড়িয়া উঠিয়াছে । এখনও চারিভাগের এক ভাল দেখে জাগা খুঁজে ওঠা জোগাড় কর । ভাগে ব্ৰং কৰা হয় নাই। তাহার তলায় মত মই, পিঁড়ি, বাও এখন বেলামী-গিরির ঘরে গিয়ে এক পোলা৷ ভাৱ, বহু প্ৰভৃতি জড়ো বয়া। বাকি ঘরখানা একেবারে চাচেয়ে নিয়ে বিদায় হও থালি । কোনো আসবাব নাই । কেবল পাঁচটি মনু স্বরক্ৰিষ্টফারের কথার ধরণেই হাটপ-গিরি বুলি লে নেন একটা প্ৰকাণ্ড গগিক দোয়া তলে দাড়াই । অল্প কি নচ হইবা পথ নাই। অগত্য সে নত স্বল্প ক্ৰিষ্টক্ষার দলে ধোগ দিয়াই বক্সিলেন, ইয়া একটা নমস্কার করিয়া লাইব্রেরী হইতে বিদায় স্নাই । জমিদার হাশয় তখন জানালার কাছে বসিয়া এই চিঠিখানা লোন্ট আশা কুড়ে, বাস্তবিক মানুষটার কম দেখে লিবিহা ফেলিলেন—মিঃ মাৰ্থী, ক্ৰোট কটেজ ও আনি অবাক হয়ে স্নাই । কি করে’ তুলি হাতে করে দাড়িয়ে ৰি কোনো চেষ্টা করিও না। হাৰ্টপের বিধৰ স্ৰী বাড়ী পাড়িয়েই খুমোঃ লোকটাকে কিন্তু তাড়া দিতে হচ্ছে ৰাছিয়া উঠিলে আমি তাহাকে সেখানে থাকিতে দিতে নইলে, অ্য টনি ধৰি এবারকার কাজে সুদক্ষ সেনাপতি লক্ষণ, থোয় তবে স্বাসার আগে ঘর থেকে তবে আমি তোমার সঙ্গে ঘোড়া চড়িয়া গিয়া বীট। কি লয় হে ? শীগগির শীগগির কো মোমত করার বন্দোবস্ত কঙ্গিা আনি অrর খানিকট মিও ওই সঙ্গে রাখা দরকার, কারণ হাটপে খ্ৰীৱ গা কাপ্তেন উইরো একটু মুছ হাসিয়া বলিলেন, “আয়ে বাহুর ও শূয়োর গুলি রাখিবার জাগ চাই , ভধীয় মশা এই অবরোধ জিনিসটাই স্কুল-ব্যাপারের মধ্যে সবচেয়ে ষ্টিফার শেভাৱেল। ষ্টাটা টানিয়া চিঠিখানা যথাস্থানে পাঠাইবার বাবস্তু । তি কোলাহুদ নামে একটি করিয়া দিয়া স্তর ক্রিষ্টধার বে বিশ্বাসঘাতক থাকলে সোধ হয় অার তা’ হয় না দিতে বাহির হইয়া পড়িলেন সেখানে গিয়া লেখেন দিলে দি মায়ের ক্ষণের সঙ্গে সঙ্গে তার হৃদয়টুকুও পেহে বালিশ গুণি পড়িয়া আছে, কাজেই বাড়ীর পূঞ্চ থাকে, তা হ’লে সে বিশ্বাসঘাতকটি অভাব হবে বলে’ বোধ দিকে বসিবার ঘরের সন্ধানে চলিলেন । বসিবার ঘরের অ জাকৃতি প্ৰকা ৪ জানা যায় পাশেই বাড়ীতে কা স্বামী মুখে পুপাতির কথা শুনি লেঙি শেভারেলের বালয়া । তাহা সামনে কাক-বিছানে পণ ; মত বড় মনের চিত খোচ দিয়া উঠিা বোধহয় কথার স্নোত একটা ঘাসের মাঠ পঢ়িয়া আছে, তাহার উপায় দিয়া বাতাস ফিরাইয়া নিবার যন্তই তিনি দলিলেন, “আচ্ছ, ৱ । স্বাসের মাথায় ঢেট দিয়া ধাইতেছে। মাঠের দুই ধারে দারি নিষ্টার, ছবি টাৱাং মা সিবিল’ খানা দরজার উপর গ্নি গাছ । জানালাটি যেন মাঠের নিকে চাহিয়া হিয়াছে দিলে কেমন হয় বল দেহি ? অামার বসবার ঘরে ছবিখ্যা দুরের ক্ষেতের ভিতর দিয়া একটি ঘাসে ঢাকা পথ চলিয়া যেন বির ভিড়ে খুঁজেই পাওয়া যায় না হিছে। তাহারও কিছু দূরে খিলান-করণ গেট সান ক্ৰিাক্ষার অত্যন্ত বেশীরকন ভ্যতা দেখাইৱা বানালাটি খোলা ; স্তর ক্ৰিষ্টার ঘরে ঢুকিয়া দেখিলেন, নি বাহাদয় পুজিতেছিলেন, তােহাৱা এইখানে দুরের খসাই হবে । তুমি দি তোমার ঘরে আন সাহ দাদের, অসমাপ্ত কাঞ্চ দেখিতেছে পাইবার ঘরে থানা তাছাড়া করতে বাঞ্জি থংক তবে ত’ কথাই চাই নি যিদ নিবার েবল এগারটা সময় একবার সংখ্যা স্মৃতির সোঁৱত এ ঘরে সেখানা দিব্যি মানাবে স্যর জোশুয়ারি আঁকা দেখিতে কেহ নাই। ক্যাটরিনার মনে এই তাৰটি জানলার উটোদিকে দিলেই জাগিয়া উঠিল । সোনালী, গোলাপী, লাল, নীল, নানা ৰে, খৃষ্টর পান্তর’খানা একেবারে শেষে অ্যাণ্টনি, রঙের ফুলের কোরির ভিতর মুরিতে ঘুরিতে তাছার মনে দেখা ত তোমার আর বটমার ছবির জন্যে গরের আর হইল ফুলগুলি যেন, তাহার দিকে পীর মতন চোখ মেলিয়া কোনো ভালো জায়গায়ই খালি বাগলাম না চাহিয়া আছে , দুঃখ কাহাকে বলে স্থানে না। তাহার এইরকম কথাবাৰ্ত্তার মধ্যে মিঃ গিলি ক্যাটরিনার দুঃখের সাণী কেহ নাই। এই একলার ছঃখের ভাৱে সে দিকে, ফিরিয়া বণিপেন এ বাড়ীর আর সব জানলার যেন ভাঙিয়া পড়িতেছিল। তাছায় চান গও বাহিয়া মাৱে চাইতে এই জানলার সামনের দৃশ্যটি আমার সুন্দর লাগে মাঝে দুই এক কোটা জন গড়াইয়া পড়িতেছিল এইবা ক্যাটরিনা কোনো উত্তর দিল না, গিলকিল দেখিলোন বুক বাটিরা কান্না বাহির হইয়া আসিল ; চোখের জলও তাহার চোখ দুই সালে টাটা করিতেছে ; তাই দেখিয়া বার-স্বর করিয়া দিয়া পড়িল ।—সেই দুঃখিনীর জুখে একটি তাড়াতাড়ি ববিলেন, টু বেড়িয়ে আসা যাক মাত্র স্নেহময় মানুষের হৃদয় দুঃস্থ পাইতেছিল। সে স্বয়ংক্রিষ্টফার ও গৃহিণীকে বিশেষ বাস্ত বোধ হচ্ছে । দুঃখিনী তাহা তিনি বুঝিতেন কিন্তু তাহাৰ পাশে দাড়াইয়াও ক্যাটরিনা নীরবে সম্মতি দানাইলে ইজনে একটা কেমন করিয়া এই বেদনার অংশ মুম্বাইবেন তাহা তিনি

  • াক বিছানো স্বাস্তা ধরিয়া লা-লা গাছে তা দিয়া জানিতেন তিনি যে নিৰুপায় ই মানুষটির নেয় :

বুদিরা-সুবিয়া খোলা সবুজ মাঠের উপর দিয়া একটি বেড়া কথা যে কাটরিনার ইচ্ছা উপাধিকে চলিয়াছে, সেই দেওয়া বড় ফুলবাগানে গিচা পত্ত্বি বেড়াইবার সময় চিন্তাটুকুই কিন্তু তাহাকে বিরক্ত করিয়া তুলিতেছিল। তিনি কাহারও মুখে কথা ছিল ন যে তাহার কৃথা আশার জন্য, তাহার নিৰ্ব্ব দ্বিতার জন্যই ো কাটেরিনার মন আর-এক জায়গায় পড়িয়া আছে, দুঃখ করতেছেন, তাহার নিরাশা সম্ভাবনার নয় ; এই অৱ সেও অার-সকলের লিংক হইতে সযত্যুে জে চিন্তাতেই সে ঐ লোকটির সমবেদনায় তৃপ্ত হইতে মনে ভাবট লুকাই প্রাথিয়া মেনাঞ্জের উপর এই পারিতেছিল না। যে সহানুভূতির মধ্যে বিবাদে বোকাটি চাপাইয়া দিতে অস্তি হই ইবার সন্দেহ আছে আমাদের দশজনের মতো ক্যাটে ৱিনাও তাহা প্ৰতি বিরুপ। সন্দেশের মধ্যে আদৃ বাগানের কাছে পেীডিয়া তাহা বেড়ার ভিতর ঔষধের সন্দেহ করিয়া ছোট-ছেলেরাও এমনই কলিয়াই দিয়া কণের পুতুলের মতন পোণ মাটির মধ্যে ঢকিয়া তাহা দুরে ঠেলিয়া থে পলি প্ৰথমেই অনেকখানি লগ: কুড়িয়া উপদল গঙের মিলিলি বলি, “ক্যাটরিন, কাৱ যেন গলা খেলা সালের উপর চোখ বুলাই অসিতে স্বর পাখি ওরা বোধ হয় এই দিকে আসছেন । অ্যালিতে হঠাৎ টক্‌টকে মুলের রং যেন আগুনের লকার মনের ভাব লুকাইতে সে অনেক দিন হইতেই অভ্যন্ত । মতন চোখ ধাবাইয়া দিম । বাগানের জমিটাও ঢেউখেলানো । তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলাইয়া লইয়া, সে বাগানের অক্সার খানি নতলের পর ইহারও একটা ৩য় ছিল কদিকে দোঁড়িয়া লিছা গেল ; যেন গোলাপফুল বাছিড়ে কিবা দরজার কাছ হইতে চালু হইয়ঃ নামিয়া গিয়া মহা ব্যস্ত। একটু পরেই কাপ্তেন উইব্ৰোৱ হাতের উপর শেষের দিকে আবার উচু হইয়া উঠিয়াছে সেখানে একটি দিয়া লেডি শেতারেল এবং তাহাদের পিছন -পিছন লালের বাগান মুকুট হইয়া শোভা পাইতেছে সূর ক্ৰিষ্টফার কিলেন । ফটকের কাছের জিয়ানিয়ামের দথলি সন্ধ্যার সাজে কল্‌মল্‌ করিতেছিল । সূৰ্য্যমুখী সারির ব্লপ দেখিয়া তাহারা কিছুক্ষণ থামিলেন । ইতিমধ্যে বেনা’ ফুলের মধুর গছে বাগান ভরপুর। যেন আনন্দ ক্যাটরিনা একটি গোলাপের কুড়ি হাতে করিয়াল সৌন্দরে মেলা সেখানে দুঃখবেদনার দিকে চাহিয়া গতিতে আসিয়া জমিদার স, এক