পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী--- শ্ৰাবণ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড যেন মরে না যায়। তবে এস আমার একটি চুমু দিয়ে ধাও, ভালবালি একদল লোক আছে, তাহারা জগতে আসিয়া আমায় লোনা কিন্তু ” সারাজীবনের মধো একদিন ও নিজেদের লইয়া গোলমাল কতদিন কায়া গেল, মেনাড ইস্কুল ছাড়িয়া কলেজে বাধাহা তুলে ৭ গায়ের জানার কাট, তরকারি গন্ধ, এ জিনিসগুলোকে তাহারা ঠিল। ছুটির দিনের সেই এটি পুরানে সাথীর ভাবটা কোনদিনই বিশেষ উচু স্থান ৮ে ন মেলাও এই দলে বদলাইয়া আদিতে লাগিল ; কিন্তু অমেই সে তুষ্ট যেদিন সে পারিবারিক ভাইবোনেৱ নিঃসঙ্কোচ সহজ ভাবটা সুচিল না। । মোনাৰ্ডে পুরোহিতের কাজ লইয়া শোভারেল- প্ৰাসাদে বাসা বাধিল ছেলেবেলার সে তালবাসা এখন গভীর প্ৰেম পরিণত সেদিন তাহার চেণে সকলি সুন্দগণ প্ৰণয়ের যে-সকল নমুনা শিলো তার মধ্যে প্ৰেমিক লই দেখিতে গাৱ, তই ভালই দেখে ছেলেবেলার সাথীদের ভালবালা হইতে যাহার বিকাশ অবস্থানীয় ভাবিয়া সে সেদিন একটি ভুল মীমাংসা করি ধয় সেইটিই বোধহয় সকলের ও সকলের চেষ্ঠ বসিয়াণি । ভাবিগছিল স্নেহ ও অভাই বুধি গ্ৰেয়ে স্বাধী। বহুদিনের স্নেহের খাধন ণন প্ৰণয়ে যোগে পুরোহিতে পদ দিয়া আরো দু হইয়া উঠে, তখনি প্রেমের নীতে জোয়ার ফিষ্টাৱে অনেকগুলি মাধৱ মটিয়াছিল। সেকালে আসিয়া কানায়-তানায় হৃদয় ভরিয়া তুলে মে বনিয়াদী বংশের এই অনাবশ্যক চূড়টির মোহ তিনি ভালবাসার ধরণ ছিল বেশ । জগতের শ্ৰেষ্ঠ মাণ্ডুকরের শ্ৰেষ্ঠ কাঠাইতে পাবেন নাই । তাহাব পালিত এই যুবকটি ভাগী টনা সঙ্গ ও তাহার খুব প্ৰিয় ছিল । মেনারে কিছু পৈতৃক হঁতে পারিত । কিন্তু টনী যদি তাহাকে অসহ উৎ সম্পত্ত্বিও ছিল কাজেই যতদিন না পাশের গ্ৰাদের পাতে অস্থির করিয়া তুলিত, তাহাতেও তােহর কত সুখ পুরোহিতের পদট খালি কয়, ততদিন শিকারের জন্য এই জগতের নিয়মই এই রকম সেকালে শামসন থেকে ঘোড়া রাখিয়া অার ইচাটি কাজ কবিয়া এই গৃহেই আরম্ভ কৰিয়া আজ পৰ্যন্ত হত দীৰ্ঘকায় বলিষ্ঠ পুখ দেখা তাহার বেশ স্বচ্ছনে দিন কাটানো চলিতে পারে সকলেৱি প্ৰায় এই ধরণ ো যে তাহার পর পাশের গ্ৰানে ঘরসংসার গুছাই। বলিলেই চলিৰে একান্ত অনুগত সে-কথা টনা ত উ পেই চানিত । ষ্টিারের মাথায় অল্পদিনের মধ্যেই আর একটি এ জগতে ঐ একটি লোক ছিল যাহার সঙ্গে যেমন পুসা গাল ঢাকিল, টনা হবে সেই সংসারের গিছি। য়ে তেমনি ব্যবহার করিতে সে পাতি । মেনামে সম্বন্ধে টিনার সাট জমিদার মহাশয়ের অপ্রিয় কি তাহার চোখে মম যে কোনো বিশেস ভাবের উদয় হয় নাই তাহার নিষ্ঠী অশোভন সেটকে তিনি হয়ে ধরিতে পারেন না। নিলস্কোচ ব্যবহারই সে-কথা ভালভাবে প্ৰমাণ করিয়া ক তাহার কােনা সঙ্গে বাস্তবের যেখানে মিল থাকে দিয়াছে; কারণ মণীর মনে গাঢ় অনুবাগের সপেই কিসের লেট তিনি ৮ করিাই ধৰিয়া ফেলেন ; মোৰ্চো যেন একটা ভয় আসিয়া জুটে । মনে কথাটা তিনি প্ৰথমেই সান্দাজ করিয়াছিলেন নাৱ মন মেনা খুব ভাল করিাই বুঞ্চিত । কোনো পরে খোঁজ কলিয়া একেবারে খাঁটি কথা জানিলে। মিথ্যা ধারণার সাহায্যে নিজেকে লাইয়া সাধিব চেষ্টা জানিলামাই সিন্ধান্ত কবিয়া সিলেন, টনা মনের কথা সে একদিনও ক নাই। তবে তাহার অাশ ছিল তৃত ওই-কম, অার এখন যদি নাও হয় ত এমন কোনো দিন অ্যা পতে পারে যেনি না তার হলেই হইবে তবে পাকাপাকি কোনো কথা বলা ভালবাসাটুকু গ্ৰহণ করিতেও অঞ্চত সাজি হুইবে । তাই কি কাজ করার দিন আসিতে তখন বেশ দেী ছিল সে শান্তভাবে সেইদিনের অপেক্ষায় সিরা ছিল, যেদিন অবশ্য সাহস করিয়া সে বলিতে পাধিৰে , টিনা, আমি তোমােয় এদিকে এমনভাবে অবস্থার পরিবর্তন হইতে লাগিল, sথ সংখ্যা] স্মৃতির সোঁর হাতে সৱ ক্ৰিষ্টারের কল্পনাজােনা কি মতলবে কোনো আনন্দ ! মোটা মোটা-পা-ওয়ালা এই পুরোচিতটির জায়গা থা নালাগিলে ও মি: লঞ্চিলের আশা ক্ৰমে উদ্বেগ ইয়া দখল করিয়া লইয়া তাহাকে পিছনে ঠেলিয়া দেওয়াটাও | ক্যাটরিনার সদরে ঠাই পাইবার আশা ত তাহার একটা নেহাৎ কম মজা ছিল না নিকা পুৰুষ তাহার ঘূৰ্চিয়ই গণ, এমন কি দ্বিতীয় আর একজন যে যদি কোনাে বাণীকে মুখ করিবার সুবিধা পায় এবংস সেটা জুড়িয় বসিয়াছে একথা তিনি পরিধার কিলেন সঙ্গে স্বজাতির একজনকে হীন করিয়া কেলিতে পারে তবে টিনা যখন খুব ছোট, তখন এ বাড়ীতে অার একটি অার সে বেচারা কি কবিয়া লোভ সামলায় ? আয় তাহা বালককে দুই-এক বাণ দেখা থিয়ালি, ছেলেটি মেনাৰ্ডে নিজের মনে যদি কোনো কু-অভিপ্ৰায় নাই থাকে, দু’চার চেয়ে বসে ছোট। বেশ সুন্দর তার চেহার, একমাগা দিন পরে সবই যদি সে ঠিক ঠিক থাম্বানে ফিরিতে কোকা চুল, কৃষ্ণকে পোষাক, সবই ভাল এই দিবে ধারণা করিয়া থাকে, তবে ত’ কথাই নাই । ছেলেটকে টনা আড়াল হইতে মুম হইয়া দেখিত তাহার দেড় বৎসর ধরিয়া কাপ্তেন উইন্ত্ৰো প্ৰাই এই বাড়ীতে নাম অ্যাটনি উইলো, সার এফারের ভাগিনেয় ও দিন কাটাতে লাগি দল ; শেষে একদিন বুলি স্থা উত্তরাধিকারী ; ছেলেটি হার ছোট বোনের ছেলে । তাহার অনিচ্ছাসত্বেও ব্যাপারটা ক্ৰমে এতখানি জটিল হইয়া পরিবারের চিরকালের নিয়ম অনুসারে বা বোনের চেলেরই পাড়াইয়াছে যে, এখন উন্টামু খ চলা শক্ত । মিষ্ট কথা সম্পত্তি পাইবার কথা, কি স্ব সাল তিীক্ষা অনেক টাকা ক্ৰমে জেহাদু হইয়া ধাইয়াছে । তাহার ফলে যে মধু ধাচ করিয়া এমন কি নিজের স্থাপচা-কবি আৰ্থিক ক্ষতি ষ্টির বিনিময় হইয়া শিয়াছে, তাহা কখনো করি এই ছেলেকে উদ্ভাবিকা ঠিক করিয়াচেন ঘামিয়া যাইতে পাবে না কাজেই ক্ৰমে সেটা এই কারণে বড়বোনের সঙ্গে তাহা পূব গ৷ হইয়া বাড়িতে প্ৰণয়-নিবেদনে দাঁড়াইল অমন সুন্দর যাহা স্বার ষ্টিমার ক্ষম কায়াকে বলে জানিতেন কালো কালো চোখ, অমন মধুৰ যাহার কণ্ঠ, অমন না, কাজেই সে কথা আর মিলি না । অণাণ্টনির মা বাহার চেহারা, বাহাকে তুছ করিবার কোনোই কারণ যারা যাইবার পর এই গৃহই তাহার ও গৃহ ইল সে নাই, সেই তরণী যদি সমস্ত হৃদয় কাহাকেও ঢালিয়া দেয় তখন আল বালক নয়, দৈনিক বিভাগের কাগুন। এই তবে ত’ তাহার মনে একটা মধুর ভাবে উদয় দর সুদীৰ্ঘ তরুণ কাপেন চুটি পাইলেই এখানে আসিয়া তখন তাহাকে সানা একটু প্ৰতিদান না দেওয়াটাই কিত কাটরিনা বয়স তখন ষোল সতের পরে কীবোৰ প্ৰটি বলিয়া মনে হয় বে কি হইল সে কথা বহি গা বকিয়া আর কি লাভ ? কেতু হৱত মনে করিতে পারেন যে নাকে বিবাহ জগতে ৰে জিনিসটা ১ কালের চেয়ে স্বাভাবিক তাহার বাথা৷ করার স্থাও যাহার কাছে একটা হাংকের কাগু সে একটা কোন দরকার দেখি না নিতান্ত উদ ল অসংযমী বক না হইলে কখনো অমন স্নান করিয়া টিনার সদর অধিকার করিয়া বসিত না। থাকিলে কাণ্ডেন উইক্লোর দিন ক ট ভাল হইয়া উঠি বাস্তবিক কিন্তু সে কথাটা ভুল অ্যাণ্টনির নার দিকে একটু মন দিতে তাহার বেশ লাগিত । উনার গুণি খুবই শান্ত ; নিজের কাছেও সে-কাজের একটা মন , দেখন সে কথা বলিত, তখন তাহাক মিষ্ট মধু কথা গুলি গা কারণ না দেখানে বার সে-কাজে সে কোনদিন সহজে শুনিয়া টিনার সকান গাল ছাঁট মুঠে চম্ভ ব্লাঙা হইয়া চড়াইয়া পতি না আর িটনার মতন ক্ষী দুৰ্ব্বল বালিকা উঠিত, টনা দুখন গান চরিত তখন তাহার পিয়ানো অ’ মানুধের কল্পনাকেই মাত্ৰ ঘা দেয়, সেইসছে মনে উপর কিয়া পড়িয়া কাপ্তেন উইরো তাহার গানের টু দেহের উদ্রেক করে ; ইক্ৰিয়াজো তাহার মতন প্ৰশংসা করিলে সকাহ কালো চোখ দুটি তুলিয়া সে এক ছায়ার স্থান নয়। অ্যােণ্টনি সত্যসত্যই তাহার উপর খুব যায়টি হার দিকে চাহিয়া ব্লাইত। উইলোর ইহাই ছিল সন ছিল জগতে কাহাকেও ভালবাসা যদি তারার পক্ষে