পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫২৪ প্ৰবাসী—ভাদ্র, ১৩২৪ বাণী বিশাল রঙ্গশালা এই যে, অনাদি অনন্ত আকাশ ন চ কাeানিব এই প্ৰতি-সংযোগোপি জাদুপুংখা wা কথা বন্ধহেতুরিতি বাং ইহার লেখিকা - তে’লনই হইত শ: যদি দেখিকার লোক কেহই না থাকিত । পু{ না থাকে, তবে প্ৰকৃতি কাহাকে অবিদ্যার বহুগুণে ই হার বাংলা অনুবাদ বন্ধন করিবে ? কাহাকো ক্ষণিক সুখের কুত যদি বলে যে, “কালারি সহিত সহযোগেরয়া-প্ৰকৃতি জুলাইবে কাহাকে দুপুর কামনার .ে লোক সহিত সংযোগও যখন মুক্তামুক-নিবিশেষে সকল পুরো ধাৰায় যুৱাইয়া খাইয়া হয়রান করিবে ? পুৱা ক্ষে অবং ভাবী, তপন প্ৰকৃতি সংযোগ পুবাধের বছদে ভাবত যদিচ শুদ্ধ বুদ্ধ মুক্ত- কিন্তু প্ৰকৃতির ধাঁদে পা দিলে হইবে কেমন করি তবে তাৱ৷ কলিতে পার না এইজ অমাতাহারা নিস্তার ই — প্ৰকৃতির পূত যেহেতু প্ৰতির সহিত পাৱ সেই যে বুদ্ধি জিতে পদ-ভ্ৰাস করিবামাত্ৰ পুৰুষ শুদ্ধ হইয়াও মলিনতায় ভাবাপন্ন ৰোগ বিশেষ য অা ক নাম প্রায় হইয়া যায়—বুদ্ধ হইয়াও আত্মবিস্তুতির দে নিমগ্ন প্ৰকৃত -সংযোগ বণিতে সেই প্রকার সংযোগই বুঝায় ; ইবাবা-মুক্ত হইয়াও মোচা মায়-বনে বাধা পড়ি কেননা বুখি বৃত্তিাপ উপাধির মধ্য দিয়াই পুৱাযে দুঃখবিয যায়। জল যেমন স্বভাৰত শীতল হইলোও অগ্নি-সংযোগে যোগ হয় উক হইয় ওঠে-পুহ তেছি স্বভাবত মুক্ত হইলেও প্ৰকৃতি ইর তাৎপৰ্য; বাখা সংযোগে মায়াপাশে জড়াই তুমি বলতে চাহিতেছ যে, কাল এবং আকাশের সহিত প্ৰবচনের ১ম অলায়ের ১৯শ সুরে কি বলিতেছে শ্ৰবণ গ যেমন বস্তু-বেরই পক্ষে অবশ্যম্ভাবী-প্ৰকৃতি, গও যেহেতু তেজি মুক্ত মুক্ত নিৰ্বিশেষে পুদ-মায়েই নিতা- বু মুক্ত স্বভাবস্তু তযোগ তদযোগাদ কতে এই হেতু তাহা পুরাধের বন্ধের কারণ তাহাকার বিজ্ঞান-ভিন্ধু ইহা অৰ্থ বাধা করিতেছেন ৩ পারে না —এই ন তোমার কথা ? তোমার জাম স্থাৎ [ তধোগাদ কতে । প্ৰতি সংযোগ: বিন, ন পুহা উচিত যে কালাদি-সংযোগের গায়—প্ৰকৃতি-সংযোগ সৰ্ব্বসাধারণ-সুলভ সংযোগের মতো করিয়া দেখা সূত্ৰকায়ের ইহার বাংলা অনুবাদ অভিপ্ৰেত নহে । গ। ( অৰ্থাৎ প্ৰকৃতিত্ব দি প্ৰকৃতির সহিত সংযোগ বাতিরেকে পুঞ্চলে বন্ধন পূবৰে সংযোগ বিশেস-এক কমের সংযোগ :- হবে না। অনুবাদ সমাপ্ত জন্মকালে তাহান বুদ্ধি-বৃদ্ধির উপরে অধিষ্ঠাতৃ চৈৱহে তা যেন বুঝিলাম—পরন্তু প্ৰকৃতি সংযোগ প পড়ে ধ্যাপারটা দে, কি, সেইটিই জিজ্ঞাসা । আমি আর সেইগতিকে পূব বুলি গপ উপাধিতে বাধা পটি এইয়প বুকি যে, সাংখ্যমতে পুঞ্চ ও যেমন-প্ৰতিও এন দেখিতে হইবে এই যে, সাধা তে— উভয়েই নিতা এবং সৰ্ব্ববাণী ; কালেই পুৰষ এবং শনের এটা একটা প্ৰতিষ্ঠিত সিদ্ধান্ত যে, একটা দি প্ৰকৃতি নিরস্তুর ওতপ্রোত-ভাবে বৰ্তমান ;-ইহাই নাম শাক যেমন অণ্ড হইতে অতিবাক্ত হইবার পূৰ্ব্বে আছে কি প্রকৃতি-পুৰুষের সংযোগ ? তাহা হইতে পারে না এই শো' অনতিবাক ভাবে বৰ্তমান থাকে-বুদ্ধি তেৰি কৰি জা— যেহেতু তাহা হইলে অগতা এইপ দাড়াইবে যে চীতে অভিধান্ত হুইবার পুৰে প্ৰকৃতির মধ্যে আনকি প্ৰকৃতিত্ব সহিত সংযোগ পুরসের বন্ধহেতু ওয়া দূরে ভাবে বর্তমান থাকে অণর সেইজন্য সাংখ্যমতে, থাকুক-—তাহা মুক্ত পুত্বষের পক্ষেও অপরিহাৰ্যা । শাবকে দেও যেমন—প্ৰকৃতি এবং প্ৰবোধতি ভাষ্যকার বিজ্ঞানভিক্ষ কী বলিতেছেন তেগ্নি-বস্তু-পক্ষে প্ৰভেদ নাই মোটে। প্ৰকৃতির সন্ধি বুদ্ধির এই প্রকার বক্তগত অভিন্নতার বলে । ৫ম সংখ্যা] সাংখ্যদৰ্শনের প্রথম পৈটা হইতে যাত্ৰাৱস্ত ৫২৫ বায়া--তাদায্যের বলে ) এইরুপ দাড়াইতেছে যে, জীবের যখন হন্তে পায় সে আর -কোনো ধনেরই প্ৰাৰ্থন রাখে ºয়কালে চৈতন্তের উপরাগ যাহা বুদ্ধির উপরে নিপতিত না —“বং লম্বা চাপা লাভং মন্ততে নাধিকং ততঃ। । স্বা, তাহা প্ৰকৃতিরই উপরে নিপতিত হয় ; কেন না, বুদ্ধি জিজ্ঞা । তবে কি বেদান্ত এবং সাংখ্যের মধ্যে স্থলেই প্ৰকৃতিরই সত্বগুণ-প্ৰধান অভিব্যক্তি ; আর সেই কোনো-প্রকার মতভেদ নাই ? তাহারই নাম প্ৰকৃতির সহিত পুলের সংযোগ । এইক্সপে প্ৰবোধস্থিতা । মতভেদ আছে অবই—কিন্তু ভাষা কৃতির সহিত পুৰুষের সংযোগ হইলে অথবা, মালা একই মারাত্মক রকমের মতভেদনহে। তাহা যে, কী তার মত খা, বুদ্ধিতে অধিষ্ঠাতৃ চৈতন্তে পরাগ সংক্ৰান্ত হইলে, ভেদ, তাহা বিবরিয়া বলিতে গেলে অনেক কথা বলিতে যাহার ফল কী হয় ? তাহার ফল হয় এই যে, বুদ্ধিগত এইজন্য বৰ্তমান স্থলে সে বিষয়টাকে সা-খাটানোই সৎপরাম পরাগ যখন যে-কোনো সৃষ্টি ধারণ করুক না কেন, মনে করিতেছি সমস্ত গুণাগুণ—দ্রষ্টী পুৰুষ আপনা গায়ে মাগিয়া জিজ্ঞাসু । আপনি বিজ্ঞানান—আমি বিজ্ঞান-তি। বুদ্বিগত পরাগ সাবিক দৃদ্ধি ধারণ করিলে দ্রষ্টা আপনার কাৰ্যাই হচ্ছে আমাকে জ্ঞান-দান করা। আপনার য় আনন্দে উৎফুন্ন হয়-মাসিক মুন্থি ধাৰণ করিলে অবকাশের ও অভাব নাই আমার শুভাদৃষ্ট ক্ৰমে এস, পুরুষ দুঃখ-ঘণায় অধীর হয় - তামসিক মুঠি ধারণ ধারা একটা দুলভ মুৰ্ত হাতের কাছে পাইয়া আপনার স্থা ষ্টা পুস্ক বিবাদে রিমাণ হয় ইহাবই নাম হইতে শূন্তহস্তে ফিরিয়া যাইতে কিছুতেই আমায়াপা দ্বি-উপাধিতে বাধা পড়িয়া যাওয়া । অতএব এট স্থির যে, সরিতেছে না দ্বির সহিত সংযোগই – প্ৰকৃতি-সংযোগই – পুষের বঙ্গ প্ৰবোধবিতা । তোমার যেমন পা সরিতেছে না হে অনুবাদাদি সমাথ । আমার প্রকৃত প্ৰস্তাব-লীটিকে কাল-রাক্ষসপতির ছতি প্ৰসঙ্গক্ৰমে সহসা একটি কথাআমার মনে উদিত হইল৷ সন্ধিপূৰ্ণ কুদৃষ্টি-পথে অসহায় ফেলিয়া রাবিয়া সাংখ্যমন্ত এবং তাহা পেটে না রাখি বলিয়া দালাই শ্ৰেয় বেদান্তমত এই দুই মতের দুই শাখা-প্ৰশাখা-সন্ত-শৃঙ্গ, কহিতেছি । সে কথা এই বিশিষ্ট মায়ামৃগের পশ্চাতে ধাবমান হইতে আমাও তেৰি বেদা মতেও যেমন --সাংখা-মতেও তে—িউভয় মন সরিতেছে না তোমার জানা উচিত, যে পান মতেই পুজবের বন্ধন ঔপাণিক বন্ধন বই সত্যিকে’র বন্ধন সরিলে মদের বলে পা'কে সরানো যতনা কঠিন—নালা অন্ধকার যেমন সত্যিকের কোনো জিনিস না সরিলে যুক্তির বলে মন’কে সরানো তাহা অপেক্ষা ত মাহবন্ধও তেছি সত্যিকের কোনো জিনিস না । আবার, কঠিন। বাহাই হো’ক্‌ না কেন—তোমার মান্তীিয় জা অন্ধকার সত্যিকের কোনো কিছু না হইলেও তাহার সাংখামত এবং বোমতের ঐকানৈক্যের একটি আদৰ্শ তো ভয়ঙ্কর বক্স যেমন দ্বিতীয় আর-একটি সম্ভাবে স্থানীয় দৃষ্টান্ত দেখাইতেছি—তোমার ফোঁতুহলের রিকিয় জীবের মোহবন্ধও তেদি সত্যিকের কোনো কিছু না পক্ষে আপাতত কা’র মতো তাহাই আমার বিবেচনা ইলেও তাহার মতো ভয়ঙ্কর বস্তু দ্বিতীয় অরেকটি সবে যথেষ্ট । পুনশ্চ, সুৰ্য্যোদয়ে যেমন সবাশুড় এবং সদামুক্ত সাংখ্যমত এবং বেদান্তমতের ঐকানৈক্যের দৃষ্টাত্ত । কামণ্ডলের সংক্সৰ হইতে অক্ষতার ছাড়িয়া যােহ, বিবেকের দুয়ের ঐক্যস্থান ॥ সাথো বেদান্তে বাধ ধরাধরি জিয়া দিয়ে তেদি সদাশুদ্ধ এবং সামুক্ত আত্মার সংজ্ঞাব হইতে উভয়ে মিলিয়া একবাক্ৰো বলিতেছে যে, বুদ্ধি চৈতা যাহবন্ধ ছাড়িয়া যায় ; আর তাহা যখন হয় তখন ষ্টা সোণাধিক চৈত । আর, সে যে সোণাধিক চৈতন্থ ভাষা স্বল্পপ-চৈতন্থের স্বপ্ৰকাশ বিমল জ্যোতিতে অনেক নিকুপাধিক চৈতন্তের প্রতিবিম্বমাত্ৰ-আভাস-আজ-- কালের হাঙ্গা-ভায়াকে আত্মাতে পাইয়া পরম আরোগ্য এবং ছায়া-মাত্ৰ । মা শান্তি লাভ করে । সেই ধন লাভ করে—াহাযে দুয়ের ত ন বেদান্তৰ্শনে বলে যে, জাভাস