পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (বৈশ্য কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/১৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম অংশ । ] বৈশ্বাসমাজের অভু্যদয় X 92 নৃপতির নামোল্লেখ মাত্র পাওয়া যায়। অশোকের বৰ্দ্ধন’ উপাধি ও পরবৰ্ত্তিমৌর্য্যরাজগণের ‘পালিত উপাধি যে বৈশ্বত্বজ্ঞাপক, তাহ পৌরাণিক ও স্মাৰ্ব পাওয়া গিয়াছে, তাহাতে প্রতিষ্ঠাতার নামানুসারে এই বংশকে একেবারে গুহিলাথ্যান্বয়” বলা হইয়াছে । গোত্রবিচারে এবং সৰ্ব্বসন্মতিক্রমে এই বংশীয়ের সুর্য্যবংশাবতংশ রামচন্দ্রের বংশধর BBD DDS gB BBB BBBB BBBBBB BBBBS BDD SBBBDS gBBB আখ্যা চিরকাল প্রদান করা হইতেছে। ছত্রিশ ক্ষত্রিয়কুলের মধ্যে ই হাদিগের আসনই সৰ্ব্বশ্ৰেষ্ঠ । ই হাদিগের উৎপত্তিসম্বন্ধে রাজস্থানের প্রথম ইতিহাস-প্রণেতা টড, সাহেব পুরুষপরম্পরাগত জনশ্রুতির এবং মুসলমান-ঐতিহাসিকদিগের লিখিত বৃত্তাস্তের উল্লেখ করিয়াছেন । জনশ্রুতি অনুসারে সুর্য্যবংশের শেষ রাজা সুমিত্র হইতে মেবারের রাণাদিগের উৎপত্তি হইয়াছে এবং শেষ বল্লভীরাজ শিলাদিত্যের সঙ্গেও ই হাদিগের রক্তের সম্বন্ধ ছিল এমত প্রকাশ করিয়াছেন। মুসলমান-ঐতিহাসিক এই বংশের সঙ্গে পারস্যের শাসনবংশীয় রাজাদিগের সম্বন্ধ ছিল, এইরূপ আভাস দিয়াছেন । একজন মুসলমান-লেখক এরূপও বলিয়াছেন সে “এই ংশ হয় নশিরবানের পুত্র নসিজাদ হইতে, না হয় যজ দেগাদের কষ্ঠ হইতে উদ্ভূত হুইয়াছে।” কিন্তু ইহার মূলে কোন ঐতিহাসিক সত্য নাই ; এবং আবুলফজলের পুর্ববৰ্ত্তী কোন ইতিহাসলেখকই এরূপভাবে লিখিতে সাহসী হন নাই । টডের পরে মেবারে অনেক প্রাচীন শিলালিপির উদ্ধার হইয়াছে। এই সকলের ঐতিহাসিক মূল্য অনেক বেশী। এই সকল লিপির পাঠ হইতে ইহা নিশ্চিতরূপে জানা গিয়াছে যে মেবারের রাণা ব্রাহ্মণ-বংশোদ্ভূত । আবুশৈলের শিখরদেশে অচলেশ্বরের যে মন্দির বিস্তমান, তাহার অতিনিকটে একটি মঠ আছে। এই মঠে ১৩১২ বিক্রম সম্বতের একটি শিলালিপি আবিষ্কৃত হইয়াছে। ইহা সমরসিংহের সময়ে খোদিত। এই বংশের একজন আদিরার স্বনামধন্য বল্প সম্বন্ধে নিম্নোদ্ভূত শ্লোকটি দেখিতে পাওয়া যায়— $

  • হারীতাৎ কিল বপ্লকোংক্রি (খ্রি)-বলয় ব্যাজেন লেভে মহুঃ ক্ষত্রিং ধাকৃনিভাদ্বিতীয়মুনয়ে ব্রাহ্ম্যং স্বসেবাচ্ছলাৎ। এতেষ্ঠাপি মহীভুজঃ ক্ষিতিতলে তদ্বংশসস্তুতয়ঃ শোভস্তে সুতরামুপাত্তবপুধঃ ক্ষত্রে হি ধৰ্ম্ম ইব ।” অর্থাৎ গল্প আছে যে "স্বসেবাচ্ছলে’ ‘ধাতৃনিভ’ মুনি হারীতকে অদ্বিতীয় ব্রাহ্মা তেজ প্রদান করিলে পর তাহার নিকট হইতে বল্পক নুপুরচ্ছলে রাজকীয় ( ক্ষায় ) তেজ লাভ করিয়াছিলেন। এখন পৰ্য্যস্ত র্তাহার বংশোদ্ভব এখানকার রাজগণ, গৃহীতৰপুং ক্ষত্রধর্শ্বের

স্থায় ক্ষিতিতলে অতিশয় শো ও পাইতেছেন।