পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/১০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


暇 পঞ্চম অধ্যায়-rচড়চড়ী । ጌyግ তবে তাহা আমিষ চড়চড়ীতে যেমন খাটিবে নিরামিষে তেমন খাটিবে না । সিদ্ধ হইলে একটু চিনি দিতে পার । শুকাইলে কাচা লঙ্কা বাট ও সরিষা বাট ( একত্রে বাটিয়া লইতে পার। ) মিশাও । বেশ শুক্লা শুক্লা করিয়া নামাও প্রকাশ থাকে যে চড়চড়ীতে যেটুকু জল দিলে আনাজ সিদ্ধ হইবে মাত্র সেইটুকু জল দিবে। অতিরিক্ত জল দিলে আনাজ অধিক নরম হইয়া যাইয়া চড়চড়ী কেঁৎকেঁতে হইবে –চড়চড়ে হইবে না । পাকা বিলাতী কুমড়া মিশ দেওয়া থাকিলে চড়চড়ীর স্বাদ উত্তম হয় । ( ) ৯৭। পাঁচ মিশালী মিহি চড়চড়ী বিলাতী কুমড়া, আলু, পটোল, বেগুনাদির খোস, বোট প্রভৃতি যাহা ফেলা যায়, তদ্বারা এই চড়চড়ী রাধা হয়। এই গুলি মিহি করিয়া কুটিয়া লুইতে হয় বলিয়া এই চড়চড়ী দেখিতে ঘণ্টের মত হয় । আলুর খোসা, কাচা বিলাতী কুমড়ার খোসা, পাকা বিলাতী কুমড়া, বেগুনের বেঁটা, পটোল, মোচার ভিতরের থোড় প্রভৃতি লইয়া মিহি করিয়া বানাইয়া লও। সব পৃথক ভাবে কষাও । তৈলে তেজপাত, লঙ্কা, কালজিরা, মেথি ফোঁড়ন দিয়া সমস্ত কষান আনাজ ছাড় । কিছু আংসাইয়া মুন, হলুদ ও লঙ্কা বাট জলে গুলিয়া ঢালিয়া দাও । সিদ্ধ হইলে চিনি দাও । শুকাইলে কাচা লঙ্কা বাট ও সরিষা বাট দিয়া নাড়িয়া চাড়িয়া নামাও । দ্রষ্টব্য—এই চড়চড়ীতে মেথির পরিবর্তে জিরা ফোড়ন ও পরিশেষে জিরা গোলমরিচের বাট ঝাল ও মিশাইয়া “ঝাল-চড়চড়ী’ রূপে রাধিতে পার । ৯৮। বিলাতী কুমড়ার চড়চড়ী একপ্রকার আনাজের দ্বারাও বেশ চড়চড়ী হইতে পারে। পাকা বিলাতী কুমড়া ডুম ডুমা করিয়া কুট। তেলে তেজপাত, লঙ্কা, কালজির, মেথি