পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/১৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দ্বাদশ পরিচ্ছেদ–জঙ্গলা ভাষা । >)○ ভাণ্ডার বৃদ্ধি করে। জঙ্গলা ভাষা না জানিলে দক্ষিণদেশীয় ব্যাপারদিগের কথোপকথনের এক বর্ণও বুঝা যায় না। সুতরাং ফরেষ্ট বা পুলিস বিভাগের কৰ্ম্মচারিগণের এ ভাষার সহিত পরিচিত হওয়া একান্ত আবশুক হইয়া পড়ে। সুন্দরবন অনেকবার উঠিয়া পড়িয়াছে, আবার পড়িয়া উঠিবে। এখনও পূৰ্ব্বতন বাসচিহ্ন লুপ্ত হয় নাই, অনেক বনভূমি ধান্তক্ষেত্রে পরিণত হইতেছে এবং নিকটে নিকটে মানুষের বসতি হইতেছে। নানা স্থানে কীৰ্ত্তিচিহ্ন আবিষ্কৃত হইতেছে, বঙ্গদেশেও প্রত্নতত্ত্বের পিপাসা জাগিয়াছে। এ পুস্তকেও উহার কতকটা নিদর্শন থাকিবে। তজ্জন্ত লোকসমাজে সে সব কীৰ্ত্তিকথা প্রচারিত হইলে, এ অঞ্চলে ঐতিহাসিকের শুভাগমন সম্ভাবিত হইবে। সুন্দরবনের স্বাভাবিক অবস্থার পরিচয় বিজ্ঞাপিত হইলে, সাধারণ দর্শক বা শিকারীরও অভাব হইবে না। সাধারণের কতক সুবিধা এবং অন্ততঃ দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমরা সাধামত জঙ্গল ভাষার কতকগুলি শব্দার্থ সংগ্ৰহ করিলাম । দ্বাদশ পরিচ্ছেদ–জঙ্গলা ভাষা । আইট বা আট-বনের মধ্যে পূৰ্ব্বতন হইতে বাহির হইয়া আবার সুকিয়া বসতির চিহ্নযুক্ত উচ্চ জমি । যায়, উহাকে উশকাড়ী বলে । আদলদার-পূৰ্ব্বে লবণ প্রস্তুত ওত-শিকারের জন্য প্রস্তুত অবস্থা হইয়া রাণীকৃত হইলে, তাহার উপর বাঘে জঙ্গলের মধ্যে ‘ওত পাতিয়া যাহারা ছাপ মারিয়া দিত । বসিয়া থাকে । আবাদ--জঙ্গলকে “বাদা” বলে, ওঝা-মন্ত্ৰবিং ব্যক্তি। উপাধ্যায় এবং জঙ্গল উঠিত হইরা যখন ধান্তক্ষেত্রে শব্দের অপভ্রংশ। পরিণত হয়, তখন তাহার নাম আবাদ। रुण-रौीtश्वग्न प्रथा निद्रां छण আফালি—আস্ফালন। মৎস্তের নিষ্কাশনের প্রণালী । আফালি । कांशखैौ-वांशंद्र शूर्क कांग्रज यंख्ठ উশকাড়া-মৎস্তে জলের ভিতর করিত, তাহাজের কাগজী উপাধি হইত। St