পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যের পথে 8ግ» শক্তি আছে তার দ্বারাই দেশের সকল সম্পদকে আবাহন করে আনতে পারব। এইরূপ অসীম আশার দ্বারাই অসাধ্য সাধন হয় । অাশাকে নিগড়ৰদ্ধ করলে কোনো বড়ো কাজ হয় না। বাঙালি কোথায় এই অসীমতার পরিচয় পেয়েছে । সেখানেই যেখানে নিজের জগৎকে নিজে হষ্টি করে তার মধ্যে বিরাজ করতে পেরেছে। মান্থৰ নিজের জগতে বিহার করতে না পারলে, পরান্নভোজী পরাবসথশায়ী হলে তার আর দুঃখের অস্ত থাকে না। তাই তো কথা আছে, স্বধর্মে নিধনং শ্ৰেয়ঃ পরধর্মে ভয়াবহ । আমার बा ५र्ष डाहे चांभांब शटद्र भूगलङि, चाभिश् चब९ जांबाब थार्थब्रश्ण ४डब्रि कcब ठाब মধ্যে বিরাজ করব। প্রত্যেক জাতির স্বকীয় স্বষ্টি তার স্বকীয় প্রকৃতি অনুসারে বিচিত্র আকার ধারণ করে থাকে। লে রাষ্ট্র, সমাজ, সাহিত্য, শিল্পকলা প্রভৃতি নানা ক্ষেত্রে আপন জগৎকে বিশেষভাবে রচনা ক’রে তাতে সঞ্চরণ করার অধিকার লাভ করে থাকে । বাঙালিজাতি তার আনন্দময় সত্তাকে প্রকাশ করবার একমাত্র ক্ষেত্র লাভ করেছে বাংলাভাষার মধ্যে। সেই ভাষাতে একদা এমন এক শক্তির সঞ্চার হয়েছিল যাতে করে সে নানা রচনারূপের মধ্যে যেন অসমৃবৃত হয়ে উঠেছিল ; বীজ যেমন আপন প্রাণশক্তির উদবেলতায় নিজের আবরণ বিদীর্ণ করে অঙ্কুরকে উদ্ভিন্ন করে তেমনি আর কি। যদি তার এই শক্তি নিতান্ত ক্ষীণ হত তৰে তার সাহিত্য ভালো করে আত্মসমর্থন করতে পারত না । বিদেশ থেকে বস্তার স্রোতের মতো আগত उांबषाब ठांप्क धूम्र भूह निउ । এমন বিলুপ্তির পরিচয় আমরা অন্যত্র পেয়েছি । ভারতবর্ষের অন্ত অনেক জায়গায় ইংরাজি-চৰ্চা খুব প্রবল। সেখানে ইংরাজিভাষায় স্বজাতন্ধের মধ্যে, পরমাত্মীয়ের মধ্যে পত্রব্যবহার হয়ে থাকে। এমন দৈন্যদশা যে, পিতাপুত্রের পরম্পরের মধ্যে শুধু ভাবের নয় সামান্ত সংবাদের আদানপ্রদানও বিদেশী ভাষার সহায়তায় ঘটে। রাষ্ট্রীয় অধিকার লাভের আগ্রহ প্রকাশ করে যে-মুখে বলে বন্দেমাতরম্ সেই মুখেই মাতৃদত্ত পরম অধিকার যে মাতৃভাষা তার অসন্মান করতে মনে কোনো আক্ষেপ বোধ করে না। বাংলাদেশেও যে এই আত্মাবমাননার লক্ষণ একেবারে নেই তা বলতে পারি নে। তবে কিনা এ সম্বন্ধে বাঙালির মনে একটা লজ্জার বোধ জন্মেছে। আজকের দিনে বাঙালির ডাকঘরের রাস্তায় বাংলা চিঠিরই ভিড় সব চেয়ে বেশি। বাস্তবিক মাতৃভাষার প্রতি যদি সম্মানৰোধ জন্মে থাকে তবে স্বদেশীকে আত্মীয়কে ইংরাজি লেখার মতো কুকীর্তি কেউ করতে পারে না। এক সময়ে বাংলাদেশে এমন হয়েছিল যে, ইংরাজি কাব্য লিখতে লোকের আগ্রহের गैौथा हिल ना । छथन ड्रे९ब्राणि बछन, हे९ब्राणि बकृङ,चगांबांछ cशोबावन्न विषङ्ग झिण ।