পাতা:শারদোৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উপনন্দ সন্ন্যাসীর মুখের দিকে ক্ষণকাল চাহিয়া পায়ের ধূলা লইয়া আজ ছুটির দিন— কিন্তু আমার ঋণ আছে, শোধ করতে হবে, তাই আজ কাজ করছি । ठेॉकूद्रमांम উপনন্দ, জগতে তোমার আবার ঋণ কিসের ভাই ! উপনন্দ ঠাকুরদাদা, আমার প্রভু মারা গিয়েছেন ; তিনি লক্ষেশ্বরের কাছে ঋণী ; সেই ঋণ আমি পুথি লিখে শোধ দেব । ঠাকুরদাদা হায় হায়, তোমার মতো কাচা বয়সের ছেলেকেও ঋণ শোধ করতে হয়! আর এমন দিনেও ঋণশোধ ! ঠাকুর, আজ নতুন উত্তরে হাওয়ায় ও পারে কাশের বনে ঢেউ দিয়েছে, এ পারে ধানের খেতের সবুজে চোখ একেবারে ডুবিয়ে দিলে, শিউলি-বন থেকে আকাশে আজ পুজোর গন্ধ ভরে উঠেছে, এরই মাঝখানে ঐ ছেলেটি আজ ঋণশোধের আয়োজনে বসে গেছে এও কি চক্ষে দেখা যায় । সন্ন্যাসী বল কী, এর চেয়ে সুন্দর কি আর কিছু আছে! ঐ Q \