ছিলেন। অর্জুনের "মৃহযুদ্ধের” কথা আমরা অনেকবার 'শুনিতে পাই।
অপি ত্রৈলোক্যরাজাস্য হেতোঃ কিছু মহীকৃতে। নিহত্য ধার্তরাষ্ট্রান্নঃ কা প্রীতিঃ স্যাজ্জনাৰ্দ্দন। ৩৫।।
পৃথিবীর কথা দূরে থাক, ত্রৈলোক্যের রাজ্যের জন্যই বা ধৃতরাষ্ট্র-পুত্রগণকে বধ করিলে কি সুখ হইবে, জনার্দ্দন?। ৩৫।
পাপমেবাশ্রয়েদস্মান্ হত্বৈতানাততায়িনঃ। তস্মান্নাহা বয়ং হস্তুং ধার্তরাষ্ট্রান্ সবান্ধবান্। [১] স্বজনং হি কথং হত্বা সুখিনঃ স্যাম মাধব ।। ৩৬ ।।
এই আততায়িদিগকে বিনাশ করিলে আমাদিগকে পাপ আশ্রয় করিবে, অতএব আমরা সবান্ধব ধৃতরাষ্ট্র-পুত্রদিগকে বিনাশ করিতে পারিব না। হে মাধব! স্বজন হত্যা করিয়া আমরা কি প্রকারে সুখী হইব?। ৩৬।
ছয় জনকে আততায়ী বলে-
অগ্নিদো গরদশ্চৈব শস্ত্রপাণির্ধনাপহঃ। ক্ষেত্রদারাপহারী চ যড়েতে আততায়িনঃ ॥
যে ঘরে আগুণ দেয়, যে বিষ দেয়, শস্ত্রপাণি, ধনাপহারী, ভূমি যে অপহরণ করে, ও বনিতা অপহরণ করে, এই ছয়জন আততায়ী। অর্থশাস্ত্রানুসারে আততায়ী বধ্য। টীকাকারেরা অর্জুনের বাক্যের এইরূপ অর্থ করেন, যে যদিও অর্থশাস্ত্রানুসারে আততায়ী বধ্য তথাপি ধৰ্ম্মশাস্ত্রানুসারে গুরু প্রভৃতি অবধ্য।
- ↑ স্ববান্ধবান্ ইতি পাঠান্তর আছে।