পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষিণেশ্বরে কোজাগর লক্ষ্মী পূর্ণিমা S}(;

  • কৃষ্ণ অৰ্জুনকে বলেছিলেন, ভাই অষ্টসিদ্ধির একটা থাকলে আমায় পাবে না। একটু শক্তি হতে পারে! গুটিকা সিদ্ধি ; ঝাড়ানো ফোকানো ; सैरुक्ष দেওয়া ব্রহ্মচারী ; তবে লোকের একটু উপকার হয়।” কেমন ? '
  • তাই মার কাছে আমি কেবল শ্রদ্ধাভক্তি চেয়েছিলাম ; সিদ্ধাই চাই नांझे ।”

বলরামের পিতা, বেণীপাল, মাষ্টার, মণি মল্লিক প্রভৃতিকে এই কথা বলিতে বলিতে ঐরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ হইলেন। বাহশূন্ত চিত্রাপিতের স্তায় বসিয়া আছেন। সমাধিভঙ্গের পর শ্রীরামকৃষ্ণ গান গাহিতেছেন— গান—হলাম যার জন্য পাগল তারে কৈ পেলাম সই এইবার শ্ৰীযুক্ত রামলালকে গান গাইতে বলিতেছেন। তিনি গাইতেছেন —প্রথমেই গৌরাঙ্গ সন্ন্যাস– কি দেখিলাম রে, কেশব ভারতীর কুটিরে, অপরূপ জ্যোতিঃ শ্ৰীগৌরাঙ্গ মূরতি দুনয়নে প্রেম শতধারে। গেীর মত্তমাতঙ্গের প্রায়, প্রেমাবেশে নাচে গায়, কছু ধরাতে লুটায়ে নয়ন জলে ভাসেরে , কাদে আর বলে হরি, স্বর্গ মৰ্ত্ত ভেদ করি, সিংহ রবে রে, আবার দন্তে তৃণ লয়ে কৃতাঞ্জলি হয়ে দাস্ত মুক্তি যাচেন দ্বারে দ্বারে। চৈতন্যদেবের এই ‘পাগল’ প্রেমোন্মাদ অবস্থা বর্ণনার পর, ঠাকুরের ইঙ্গিতে রামলাল আবার গোপীদের উন্মাদ অবস্থা গাইতেছেন— গাল— ধোরোনা ধোরোনা রথচক্রে, রথ কি চক্রে চলে। বে চক্রের চক্ৰী হরি যার চক্রে জগৎ চলে। গান— নবনীরদ বর্ণ কিসে গণ্য শুমচাদ রূপ হেরে। করেতে বঁাশী অধরে হাসিরূপে ভুবন আলো করে।