পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


纥也 শ্ৰীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত—৫ম ভাগ [ ১৮৮৩, ২রা জুন শ্ৰীমতী বল্‌ছেন, সখি প্রাণ যায়, কৃষ্ণ এনে দে ! সখী-রাধে, কৃষ্ণ মেঘে বরিষণ হতো ; কিন্তু তুই মান ঝঞ্চাবাতে মেঘ উড়াইলি । তুই কৃষ্ণ মুখে মুখী নস ; তা হলে মান করবি কেন ? শ্ৰীমতী—সখি, মান তো আমার নয়। যার মান তার সঙ্গে গেছে। ললিতা শ্ৰীমতীর হয়ে দু’টা কথা বলচেন । ১ । সবহু মিলি কয়লি প্রত••••••••• কোই দেখাইলি ঘাটে মাঠে বিশাখা দেখালি চিত্রপটে ! এইবার কীৰ্ত্তনে গোস্বামী বলছেন যে, সখীরা রাধাকুণ্ডের নিকট শ্ৰীকৃষ্ণকে অন্বেষণ করতে লাগল। তারপর যমুনাপুলিনে শ্ৰীকৃষ্ণ দর্শন, শ্ৰীদাম সুদাম মধুমঙ্গল সঙ্গে, বৃন্দার সহিত শ্ৰীকৃষ্ণের কথা ; শ্ৰীকৃষ্ণের যোগিবেশ ; জটিল সংবাদ, রাধার ভিক্ষা দান, রাধার হাত দেখে যোগীর গণনা ও ফাড়া কথন । কাত্যায়নী পূজায় যাওয়ার আয়োজন কথা। [ The Humanity of Avatars ) কীৰ্ত্তন সমাপ্ত হইল। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে আলাপ করিতেছেন। স্ত্রীরামকৃষ্ণ—গোপীরা কাত্যায়নী পূজা করেছিলেন। সকলেই সেই মহামায়া আদ্যাশক্তির অধীনে। অবতার আদি পৰ্য্যন্ত মায়া আশ্রয় করে তবে লীলা করেন। তাই তারা আদ্যাশক্তির পূজা করেন। দেখ না, রাম, সীতার জন্ত কত কেঁদেছেন। ‘পঞ্চ ভূতের ফঁাদে, ব্ৰহ্মা পড়ে কাদে ।”

  • হিরণ্যাক্ষকে. বধ করে বরাহ অবতার ছানা পোলা নিয়ে ছিলেন । আত্মবিশ্বত হয়ে তাদের মাই দিচ্ছিলেন ! দেবতারা পরামর্শ করে শিবকে পাঠিয়ে দিলেন। শিব শূলের আঘাতে বরাহের দেহ ভেঙ্গে দিলেন ; তবে তিনি স্বধামে চলে গেলেন । শিব জিজ্ঞাসা করেছিলেন—তুমি আত্মবিস্তৃত হয়ে আছ কেন। তাতে তিনি বলেছিলেন, আমি বেশ আছি।”

অধরের বাটী হইয়া এইবার ঠাকুর রামের বাড়ীতে গমন করিতেছেন। সেখানে কথক ঠাকুরের মুখে উদ্ধব-সংবাদ শুনিলেন । রামের বাড়ীতে কেদারাদি ভক্তগণ উপস্থিত ছিলেন । ( শ্ৰীশ্ৰীকথামৃত, দ্বিতীয় ভাগ-পঞ্চম ו (נאאי