পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/১৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


x / ! . . " AASAASAASAAAS y বুড়ী বলে মোরা বুনে শেদণ্ডরে বাবা। ভাজা পোড় ঘরে নাইAতে দিব কিবা ॥ চিড়া না বানাই মোরগুড়ি না বানাই । বানাইতে নাহি জানিগত মাত্ৰ খাই । বুধই বলেছে মাত সুড় ক্ষুদা পাই । মা বলেছি তব *ত খেলে দোষ নাই ॥ বুড়ীভাবে মা ব:ল চরণে দিল হাত । ভক্তি ক’রে লেবা দিল খেতে চায় ভীত ॥ বড়ই মমতা হ’ল বুড়ীর অন্তরে । । জল দেওয়া পান্ত ভাত দিল বুধইরে। বাবা ঈশ্ববদ্ধ বলি ছাড়িলেন হাই । বলে বাবা ভাবনার ফলবেন পাই ॥ বুড়ী দিল পান্ত ভাত সম্মুখে আনিয়ে। ক্ষেতে ছিল কাচা লঙ্ক আনিল দৌড়িয়ে ॥ খাইয়া বলে গে। মাতা বড় ভাল খাই । মরিচ আনিতে মা বেগুণ দেখতে পাই ॥ মিতা নাই বাড়ী মা কি বলিব তোমায়। গুটি কত বেগুণ লইতে ইচ্ছা হয়। ভাত খেয়ে দণ্ডবৎ করে তার পায়। বুড়ীর পায়ের ধূলা মাখে সৰ্ব্বগায়। বুড়ী বলে বাবা ত বেগুণ নিতে চেলে। বুধই কহিছে মাতা ভাল হয় দিলে । আগে আগে বুড়ী যায় বেগুণের ক্ষেতে। সুন্দর সুন্দর গুলি লাগিল তুলিতে ॥ বৈরাগী ফেলিয়া দিল গায়ের চাদর। " বেগুণ তুলিয়া বুড়ী রাখে তার পর ॥ বেগুণ তুলিল প্রায় ছয় সাত সের। বুদ্ধি কহে আর কার্য্য নাহি বেগুণের ॥ অমনি প্রণাম করি বুড়ীর পদেতে । বেগুণ চাদরে বেঁধে নিল মস্তকেতে । বুদ্ধি কহুে আশির্বাদ কর মা আমায়। এ বেগুণে জগবন্ধুর সেবা যেন হয় ॥ পথে আসি দাড়াইয়া রহিলেন বুড়ী। বেগুণ লইয়া বুদ্ধি যায় দৌড়া দৌড়ি ॥ ত্বর করি উতরিল বাটীতে আসিয়া । কবজী মারিতে গেল বড়সী লইয়া ॥ নৌকা বেয়ে বিল মধ্যে গিয়া তাড়াতাড়ি । প্রধান কবজী মৎস্য মারে তিন কুড়ি ॥ মৎস্য আর বেগুণ লইয়া প্রাতঃকালে । বাবা জগবন্ধু বলি ওঢ়াকাদি চলে। মধ্য খণ্ড ।

১২৫ পথে যেতে ডাকে কোথা বাবা জগবন্ধু । উথলিল তাহার হৃদয় প্রেম সিন্ধু ॥ - এই ভাবে পথে ডাক ছাড়িতে ছাড়িতে । উপনীত হৈল ওঢ়ার্কাদির বাড়ীতে ॥ - প্ৰণমিয়া জিজ্ঞাসিল লক্ষ্মী মাত ঠাই । t বলিলেন শান্তি দেবী প্রভু বাড়ী নাই। বুদ্ধি কহে জগবন্ধু কোথায় আমার। মাতা বলে গিয়াছেন রাউৎখামার.॥ আজ্ঞা দিল লক্ষ্মী মাত যাহ তুমি তবে । এনেছ বেগুণ মৎস্য উহা কেবা খt'বে ॥ অন্তৰ্য্যামিনী কমলা জেনে মনোভাব । , বলে বুদ্ধি তোর শুদ্ধ ভক্তের স্বভাব ॥ তুই মোর প্রণাধিক তুই মোর প্রাণ । তোর মুখে প্রভু করে অন্নজল পণন ॥ এনেছ যে বেগুণ বুনোর ভাত খেয়ে । বুড়ীর পায়ের ধূলা অঙ্গেতে মাখিয়ে ॥ কত কষ্টে এনেছে বিলের কই ধরি। মানসে মানসা তোর ভোজ লুবে হরি। এমন ভক্তির মাছ ভক্তির বেগুণ। ঠাকুর না খেলে হ’বে বেগুণে বেগুণ ॥ ব্যস্ত হ’য়ে বুদ্ধি কহে শুন গো জননী । রাখ তব অৰ্দ্ধ অংশ হরি অৰ্দ্ধাঙ্গিনী ॥ সেই মাছ তরকারী অৰ্দ্ধ অৰ্দ্ধ রেখে। রাউৎখামার চলে মনের পুলকে ॥ ঠাকুর ছিলেন রাম সুন্দরের বাড়ী । v দণ্ডবত্ কৈল গিয়া শ্রীচরণে পড়ি ॥ মনজেনে অন্তৰ্য্যামী বলিল তখন। ‘ কোথা হ’তে এলি বাছা এত ব্যস্ত কেন ॥ বুদ্ধি কহে বালা বাড়ী চল দয়াময়। তাহা হ’লে আমার অভীষ্ট পূর্ণ হয়। এনেছি মাছ তরকারী মনে আছে তাক । অঙ্কুর বালার ভাৰ্য্যা করিবেন পাক ৷ আপনি করুণ সেবা ভক্ত বৃন্দ ল’য়ে । কমলখি তাহ দেখি যাই সুখী হ’য়ে ॥ বুধইর নৌকা পরে উঠে দয়াময়। বালীদের বাড়ী গিয়া হ’লেন উদয় ॥ অকুরের স্ত্রীর কাছে বুদ্ধিমন্ত গিয়া । বিনয় করিয়া বলে চরণ ধরিয়া ॥ যে ভাবে আনিল তাহা বলিল তখন। বলে মাত ভাল ক'রে করগে রন্ধন ॥ /