পাতা:সাহিত্য-সাধক-চরিতমালা প্রথম খণ্ড.pdf/৩৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জীবনী o ঈশ্বরচন্দ্র খাটি বাংলা দেশের কবি, এই জন্যই আমাদের স্মরণীয় । তাহার জীবনী ও কাব্য সম্যক অনুধাবন করিলে তদানীন্তন বাংলা সমাজ ও সাহিত্য-জীবনের মূল কেন্দ্রটিও আমাদের লক্ষ্যগোচর হইবে । এই কেন্দ্র হইতে আমরা বাহির ও ভিতরের নানা ঘাত-প্রতিঘাতে বৰ্ত্তমানে বিচ্যুত হইয়াছি বলিয়ু পুরাতনের সঙ্গে যোগস্থত্র খুজিয়া পাইতেছি না ; অথচ জাতীয় জীবনের ক্রমোন্নতির পক্ষে এই স্বত্র খুজিয়া বাহির করা একান্তু অবিশুক । f -- ঈশ্বরচন্দ্রকে বিস্তৃত হইবার অপর কারণ–মাইকেল মধুসূদন দত্ত । বঙ্কিমচন্দ্র লিথিয়াছেন :– ১৮৫৯৬০ সাল বাঙ্গাল সাহিত্যে চিরস্মরণীয়--উহ নূতন পুরাতনের সন্ধিস্থল । পুরাণ দলের শেষ কবি ঈশ্বরচন্দ্র অস্তমিত, নূতনের প্রথম কবি মধুসূদনের নবোদয় । ঈশ্বরচন্দ্ৰ থাটি বাঙ্গালী, মধুসূদন ডাঠ। ইংরেজ । সেই ইংরেজীয়ানার যুগে “ডাহা ইংরেজের” নিকট “খাটি বাঙ্গালী” পরাস্ত হইয়াছিলেন । ज़ोवती । ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত দীর্ঘজীবী ছিলেন না। ধীরে জীবন মাত্র ৪৭ বৎসরের ; ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫এ ফাল্গুন শুক্র বর্জি কাচরাপাড়ায় তাহার জন্ম এবং ১২৬৫ সনের ১০ই মাঘ শনি বারে তাজা ধৃষ্ট হয় । পিতা হরিনারায়ণ গুপ্ত দরিদ্র ছিলেন, প্রথমে কবিরাজী করিতেস, পরে কবিরাজী ব্যবসায় ছাড়িয়া গ্রামের নিকটে শেয়ালডাঙ্গার কুঠিতে মালিক আট টাকা মাহিনায় চাকুরি করিতেন । ঈশ্বরচন্দ্রের মাতার নাম ছিল শ্ৰীমতী দেবী দশম বৎসরে তাহার মাতৃবিয়োগ হওয়ার পর তিনি