সিদ্ধান্তরত্ন । Y SIN) দ্বারা যে তুমি এই প্রশ্ন, সেই আমি ইত্যাদি উত্তর ঘটনা হয়, এই আভাসে যদ্দন্যোহস্তি এই শ্লোকের ব্যাখ্যা করেন। পর। শব্দে অর্থাৎ বিলক্ষণ জাত্যাদি বিশিষ্ট সর্বশরীরে একাকার ব্যক্তির নানাত্ব অঙ্গীকার করিয়া যে বিসদৃশতা, সেই বিসদৃশতা নিষিদ্ধ হইয়াছে। নতুবা এক আত্মাতে অন্য ও পর, এই পদদ্বয়ের সঙ্গতি হয় না। পূর্বোক্ত গ্ৰন্থ সকলে অহাম্ভাব-বিশিষ্ট পরমাত্মা ও জীবের জ্ঞাতৃত্ব সাধিত হইল । যদি বল, জ্ঞাতৃত্ব রূপ স্বরূপ শক্তি ঈশ্বরে নাই, তাহা কহিতে পার না । চিন্মাত্ৰ ব্ৰহ্ম ভিন্ন সমুদয় নশ্বর রূপে যে নিষেধ করিয়াছেন, ঐ নিষেধ-বিষয়ক জ্ঞানের কে এই জ্ঞাতা । যদি বল, ব্ৰহ্মে ঐ জ্ঞাতৃত্ব শক্তি অধ্যাস রূপা হন। তাহা কহিতে পার না, যেহেতু অধ্যাসিত জ্ঞানকে নিষেধ না করিলে অদ্বয়স্মৃৰ্ত্তি হয় না ; অতএব, তাহার নিবৰ্ত্তক জ্ঞানাপেক্ষা করে, তাহা হইলেই অধ্যস্ত জ্ঞান ঐ নিবৰ্ত্তক জ্ঞানের কৰ্ম্ম হন, জ্ঞাতৃত্বভাবে কর্তৃত্ব হয় না । অতএব ঈশ্বরের জ্ঞাতৃত্ব শক্তি কল্পিত নহে, তৎস্বরূপ, তাহ সিদ্ধ হইল। এবং সহস্ৰনাম-ভাষ্যে ‘আচু্যত” এই নাম ব্যাখ্যাতে স্বরূপ-সামৰ্থ্য হইতে চু্যতি নাই, এই বুৎপত্তি করাতে সামর্থ্য-স্বীকারে শঙ্করাচাৰ্য্য স্বয়ং শক্তি স্বীকার করিয়াছেন। যদি বল, ব্ৰহ্ম স্বপ্ৰকাশিত্ব রূপে ভাসমান হন, তঁহার শক্তি-স্বীকার ব্যৰ্থ। এ কথা কহিলে তুমি নির্বিশেষ-বাদী আপনার বাক্য-জালে আপনি বদ্ধ হইলে । যেহেতু স্বপ্ৰকাশিত্ব রূপে ভাসমান হন, এই স্বীকার করিলেই ঐ স্বপ্ৰকাশিত্ব আমাদিগের স্বরূপশক্তি । স্বপ্ৰকাশিত্ব-রূপ ধৰ্ম্ম ব্যতিরেকে স্বপ্ৰকাশ নামে বস্তু
পাতা:সিদ্ধান্তরত্ন (দ্বিতীয় খণ্ড) - উপেন্দ্রমোহন গোস্বামি.pdf/৫১
অবয়ব