পাতা:ব্যঙ্গকৌতুক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বগীয় প্রহসন やぬ শীতল। (হাসিয়া অস্থির হইয়া) মা গে ম, তুমি এতো হাসাতেও পারে । আদর ক’রে বেশ নামটি দিয়েচো যাহোক! আনে বছি ! কিন্তু বন্তিতে ক’রবে কী ভাই ! কতো বদ্যির সাতপুরুষকে আমি সাতঘাটের জল থাইয়ে এসেচি—আমি কি তেমনি মেয়ে! ঘেটু । ( ইন্দ্রের গায়ের কাছে গিয়া তাহার পৃষ্ঠে হাত দিয়া ) কী গে, ইন্দির দা ! মুখে যে রা’টি নেই। রেতের বেল গিন্নির সঙ্গে । বকবিকি চলোচলি হ’য়ে গেচে না কি ? ইন্দ্র । ( সসঙ্কোচে সরিয়া গিয়া দূরস্থ আসন নির্দেশপূর্বক ) দেব, আসন গ্রহণে অনুমতি হৌক । ঘেটু। এই যে এখানে ঢের জায়গা আছে । ( ইন্দ্রের সহিত একাসনে উপবেশন ) দাদা, আমার সঙ্গে তুমি নেীকোত কোরো না । আজ থেকে তুমি আমার দাদা, আমি তোমার ছোটো ভাই ঘেটু । ( বাহুদ্বারা ইন্দ্রের গলবেষ্টন এবং ইন্দ্রকর্তৃক অব্যক্ত কাতর ধ্বনি উচ্চারণ) শীতলা । ( চন্দ্রের প্রতি ) তুমি যাও কোথায় ! চন্দ্র । মনোজ্ঞে, অদ্য অন্তঃপুরে দেবীগণ ভর্তৃপ্রসাদন ব্রতে র্তাহাদের এই সেবকাধমকে স্মরণ করিয়াছেন—অতএব যদি অনুমতি হয় তবে, হে হরিণশালীন নয়নে— শীতল । কী ব’ল্লে ? শালী ? তা ভাই তাই সই ! তোমার চাদমুখে সবই মিষ্টি লাগে। ত শালী যদি ব’ম্নে তবে কানমলাটিও খাও ! ( চন্দ্রের পাশ্বে একাসনে বসিয়া চন্দ্রের কর্ণপীড়ন ) ইন্দ্র । ( চন্দ্রের প্রতি ) ভগবন সিতকিরণমালিন, তুমিই ধন্য । করুণম্পর্শে তরুণীকরকিসলয়ের অরুণরাগ এখনো তোমার কর্ণমূলে সংলগ্ন হইয় অাছে ! শীতল । ( মনসার প্রতি লক্ষ্য করিয়া স্বগত ) ম’লো ! ম’লো ! আমাদের মনসে হিংসেয় ফেটে ম’লো! আমি চাদের পাশে ব’সেচি