পাতা:শোধবোধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রথম অঙ্ক শোধ-বোধ চতুর্থ দৃপ্ত সুকুমাবী। তোমবা মাষে পোযে মিলে আমাৰ ছেলের সঙ্গে লেগেচে৷ বুঝি। ওকে তোমাদেব সহ হচ্চে না ! ও গেলেই তোমবা বঁাচে । আমি তাই বলি, থোকা বোজ ডাক্তাব কববাজেব বোতল বোতল ওষুধ গিাচে, তব দিন দিন এমন বোগা হ’চ্চে কেন । ব্যাপাবখানা আজ বোঝা গেলো । সকলের প্রস্থান সতীশ ও নলিনীর প্রবেশ সতীশ । এ কি, তুমি যে এ বাডিতে ? নলিনী। শশধব বাবু বাবাকে কি একটা আইনেব কাজে ডেকেচেন । আমি তাব সঙ্গে এসেছি । সতীশ । আমি তোমাব কাছে শেষ বিদায নিতে চাই নেলি । নলিনী । কেন, কোথাষ যাবে ? সতীশ । জাহান্নামে । নলিনী। যে লোক সন্ধান জানে, সে তো ঘবে বসেই সেখানে যেতে পাবে। আজ তোমাব মেজাজটা এমন কেন ? কলাবটা বুঝি ঠিক হাল ফেশনেব হয় নি । সতীশ । তুমি কি মনে কব, আমি কেবল কলাবের কথাই দিন-বাত্রি চিন্ত কবি । নলিনী। তাই তো মনে হয়। সেই জন্তই তো হঠাৎ তোমাকে অত্যন্ম চিন্তাশীলেব মতো দেখায় । সতীশ । ঠাট্ট কে বো না নেলি, তুমি যদি আজ আমার হৃদয়ট দেখতে পেতে— لاوي ]