পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( & ) একটা প্রধান লক্ষ্য । এরূপ না করিলে বাঙ্গলা খাবারের মেরুদণ্ড কোন কালেই গঠিত হইতে পারিrব না। কতকগুলি খাদ্যপ্রস্তুত প্রণালী সংগ্ৰহ করিয়া একটা পুস্থ কাকারে প্রকাশ করা বিশেব কিছু ফলদায়ক নহে। যেমন যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ সৈন্যের সমাবেশ অপেক্ষ বৃাষ্ঠবদ্ধ মুষ্টিমেয় সৈন্যও অধিক ফলদায়ক সেইরূপ খাদ্য সম্বন্ধীর পুস্তকে ও শৃঙ্খলা রচনা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয় । বাঙ্গলায় যে ছ একটা খাদ্য সম্বন্ধীয় পুস্তক প্রকাশিত হইয়াছে সে গুলিতে এই শৃঙ্খলার একেবারেই অভাব । আমি এই কারণে নিরামিষের প্রধান থাদ্য ভাত হইতে আরম্ভ করিয়া সোপানক্রমে অন্যান্য শ্রেণীতে উঠিয়ছি । পাঠক দেখিবেন এক নিরামিষ আহারে এত বৈচিত্র্য আছে যে বিনা আমিষেয় সাহাধ্যে রসনার তৃপ্তির কোন অভাবই হয় না । এই পাঁচশত পৃষ্ঠার গ্রন্থেও নিরামিব আহারের অতি সামান্য অংশ মাত্র গিয়াছে। এখনো অজস্র নিরামিষ আহার অবশিষ্ট আছে । fনরামিষের পরে তবে আমিষেয় শ্রেণীতে প্রবেশ করিব । যখন আমাদের প্রপিতামহ বিলাতে গিয়াছিলেন তখন তাহার সঙ্গে দেশীয় সুদক্ষ পাচক ও গিয়াছিল। সেই দেশীয় পাচক-প্রস্তুত দেশীয় খাদ্য দ্রব্যের আহারে বিলাতের গণ্য মান্য লোকেরাও চমৎকৃত হইয়। গিয়াছিলেন । কিন্তু সে হইতেছে আমিষ আহার । আমরা বলিতে পারি আমাদের দেশীয় নিরামিষ আহারগুলিও এত সুস্বাহ ও এত বিচিত্র প্রকারের যে সে সকল আহারে কেহ প্ত না হইয়া যাইতে পারে না । পাঠক এই পুস্তকেই থিতে পাইবেন এক ভাত পাক করিবার প্রণালীই কত প্রকার এবং তাছ ষ্ণেমল সুস্বাছ । আমাদের দেশে যদিও পোলাগুট রের শেষের দিকেই সচরাচর দিয়া থাকে কিন্তু পাকপুস্তকে