ময়ূখ

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

 

আট-আনা-সংস্করণ-গ্রন্থমালার একাদশ গ্রন্থ

 

ময়ূখ

 

শ্রীরাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়

 

পৌষ, ১৩২৩


 

Published by
GURUDAS CHATTERJEA.
MESSRS GURUDAS CHATTERJEA & SONS
201, Cornwallis street, Calcutta.

 

 

Printed by
RADHASYAM DAS
AT THE VICTORIA PRESS.
2, Goabagan Street, Calcutta.

 

উপহার

 

 

 

 

 

উৎসর্গ

 

বন্ধুবর

 

শ্রীযুক্ত মৃত্যুঞ্জয় রায় চৌধুরী

 

করকমলে

 

এই গ্রন্থ অর্পিত

 

হইল

 



ভূমিকা

 সপ্তগ্রামে ও চট্টগ্রামে পর্ত্তুগীজ ফিরিঙ্গিগণ যে যে উপনিবেশ স্থাপন করিয়াছিল, সপ্তদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বাঙ্গালায় মোগল শাসনের শৈশবে তাহা রোম্যান ক্যাথলিক্‌ ধর্ম্মযাজকগণের অত্যাচারের কেন্দ্র হইয়া উঠিয়াছিল। পর্ত্তুগীজ জলদস্যুর অত্যাচার ও তদপেক্ষা অধিক পর্ত্তুগীজ পাদ্রীর উৎপীড়নে বাধ্য হইয়া বাদশাহ শাহ্‌ জহান কাশেম খাঁকে হুগলী আক্রমণ করিতে আদেশ করিয়াছিলেন। মহম্মদ আমীন রচিত বাদশাহনামা অথবা তারিখ-ই-শাহ্‌জহান নামক গ্রন্থে এই সকল ঘটনার প্রকৃত ইতিহাস প্রদত্ত আছে। পর্ত্তুগীজ পাদ্রী ও জলদস্যুর অত্যাচারই যে বাঙ্গালায় পর্ত্তুগীজ শক্তির অধঃপতনের কারণ, ইংরাজ ঐতিহাসিক কীন (H. G. Keene) ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সর্বাধ্যক্ষ স্বর্গীয় ডাক্তার বর্গেস (James Burgess) তাহা মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করিয়াছেন। ইংরাজ ইষ্ট্‌ ইণ্ডিয়া কোম্পানীর সাহায্য ব্যতীত শাহ্‌জহান পর্ত্তুগীজগণকে পরাজিত করিতে পারিতেন কিনা সন্দেহ। ১৬২৯ খৃষ্টাব্দে শাহ্‌ জহান সুরট বন্দরের ইংরাজ প্রধানকে মোগল সাম্রাজ্য মধ্যে সর্ব্বত্র সকল সময়ে পর্ত্তুগীজ জাহাজ আক্রমণ করিতে ফর্ম্মাণ প্রদান করিয়াছিলেন। ১৫৬০ খৃষ্টাব্দে ভারতবর্ষে পর্ত্তুগীজগণ কর্ত্তৃক Inquisition বিচার প্রণালী অবলম্বিত হইয়াছিল এবং ১৮১৪ খৃষ্টাব্দে উহা পরিত্যক্ত হইয়াছিল। কীলের ইতিহাসে ও বাদশাহনামায় বাঙ্গালার পর্ত্তুগীজ পাদ্রীর অত্যাচারের বিবরণ দেখিতে পাওয়া যায়। অগষ্টিনিয়ান সম্প্রদায়ভুক্ত খৃষ্টান সন্ন্যাসী (Friar) ম্যানরিক্‌ (Manrique) হুগলী যুদ্ধের যে বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়াছেন তাহা ইতিহাস নহে, কারণ তাহা একদেশদর্শী। এই যুগের ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে এই আখ্যায়িকা রচিত হইল।

 সুহৃদ্‌বর শ্রীমান্ ভূপেন্দ্রকৃষ্ণ ঘোষের অনুরোধে মোগল সাম্রাজ্যের সর্ব্বাপেক্ষা গৌরবময় যুগের ঐতিহাসিক বিবরণ স্বরূপ এই কাহিনী লিপিবদ্ধ হইল। বাদশাহনামা, আমল্‌-ই-সলিহ, রিয়াজ-উস্‌-সালাতীন, মাসির-উল্‌-উমারা প্রভৃতি প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক গ্রন্থ সমূহ অবলম্বনে এই গ্রন্থের ঐতিহাসিক অংশ সঙ্কলিত হইয়াছে। শ্রীযুক্ত হরিদাস সাহা ও শ্রীমান্‌ ভূদেবচন্দ্র মুখোপাধ্যায় কর্ত্তৃক ইহার পাণ্ডুলিপি লিখিত হইয়াছিল।

 কলিকাতা
গ্রন্থকার
 

৩রা পৌষ, ১৩২৩

পরিচ্ছেদসমূহ (মূল গ্রন্থে নেই)

এই লেখাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক ডোমেইনে অন্তর্গত কারণ এটি ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারির পূর্বে প্রকাশিত।


লেখক ১৯৩০ সালে মারা গেছেন, তাই এই লেখাটি সেই সমস্ত দেশে পাবলিক ডোমেইনে অন্তর্গত যেখানে কপিরাইট লেখকের মৃত্যুর ৮০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে। এই রচনাটি সেই সমস্ত দেশেও পাবলিক ডোমেইনে অন্তর্গত হতে পারে যেখানে নিজ দেশে প্রকাশনার ক্ষেত্রে প্রলম্বিত কপিরাইট থাকলেও বিদেশী রচনার জন্য স্বল্প সময়ের নিয়ম প্রযোজ্য হয়।